ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার সম্ভব: নাহিদ


দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার সম্ভব: নাহিদ

  • আপলোড সময় : শনিবার ২৯ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৪:৪২ পিএম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে গোটা বিশ্ব জানতে পারবে বাংলাদেশ আসলে স্থিতিশীল হবে কি না। একটি সুষ্ঠু নির্বাচন এবং শান্তিপূর্ণ ট্রানজিশনের মাধ্যমে দেশ সত্যিকারের স্থিতিশীলতার পথ ধরে যাবে কি না, সেটাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, "আমাদের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে শান্তিপূর্ণভাবে এই ট্রানজিশন ঘটানো। যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে অস্থিরতা অব্যাহত থাকবে।" শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনীতি সম্মেলন ২০২৫’-এ তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম আরও জানান, অনেকেই শিক্ষা খাত সংস্কারের কথা বলছেন, যা তিনি সঙ্গত মনে করেন। তবে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার কারণে তা রাতারাতি পরিবর্তন সম্ভব নয় এবং সেই চেষ্টা করাও ঠিক হবে না। এজন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ অপরিহার্য। তিনি বলেন, "গত ১৬ বছরে আমরা অর্থনৈতিকভাবে যে ধ্বংস দেখে এসেছি, তা একবারে বদলানো যায় না। অন্তত এক থেকে দেড় বছর বা ১৮ মাসে সম্ভব নয়।"

তিনি বলেন, ২০১৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পেছনে জনগণ বিশেষ করে তরুণরা রাজপথে নেমেছিল। তাদের অর্থনৈতিক অনুপ্রেরণা ও আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে সেই আন্দোলন ঘটে। সেই সমস্যাগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত ও সমাধান করতে পারলে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক সংস্কারের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, তরুণরা প্রথম বিদ্রোহ শুরু করেছিল ভ্যাটবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে। এরপর ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের আন্দোলন মূলত ২০১৮ সালের আন্দোলনের ধারাবাহিকতা। এ আন্দোলনগুলো ছিল চাকরি, কর্মসংস্থান এবং শিক্ষার অধিকার নিয়ে। ২০১৮ সালের বছরেই নিরাপদ সড়ক আন্দোলন শুরু হয়, যা কিশোর বিদ্রোহ হিসেবেও পরিচিত।

নাহিদ ইসলাম জানান, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন মূলত নগর পরিকল্পনার একটি প্রশ্ন। ঢাকাসহ দেশের বড় বড় শহরে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, বায়ুদূষণ, পরিবেশ দূষণ, ট্রাফিক জ্যাম, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, কর্মসংস্থানহীনতা এবং বাড়তি বাসা ভাড়া ইত্যাদি সমস্যা বাড়ছে। এসব কারণে মধ্যবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত পর্যায়ের মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়ছে। তিনি বলেন, "নগর পরিকল্পনার অভাবে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে যেখানে তরুণরা বেঁচে থাকতে পারছে না।"

আকাশজমিন / আরআর


এ সম্পর্কিত আরো খবর