ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নেতানিয়াহুর ক্ষমার অনুরোধে উত্তপ্ত ইসরায়েল


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০২ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ১:০৯ পিএম

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দুর্নীতি মামলায় আদালতে হাজিরা দিয়েছেন। সোমবার (১ ডিসেম্বর) আদালতে হাজিরা দেওয়া নেতানিয়াহুকে সব অভিযোগ থেকে অব্যহতি দেওয়ার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধের পর তিনি উপস্থিত হন। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এই তথ্য জানিয়েছে।

নেতানিয়াহুর ক্ষমার আবেদন দেশে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। বিরোধীরা বলেন, ক্ষমা বিবেচনা করতে হলে নেতানিয়াহুকে দোষ স্বীকার করতে হবে এবং রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াতে হবে। কেউ কেউ মনে করছেন, ক্ষমার আবেদন করার আগে জাতীয় নির্বাচন ডাকা প্রয়োজন, যা ২০২৬ সালের অক্টোবরের মধ্যে হওয়ার কথা।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট বলেন, “ইসরায়েলকে এই বিশৃঙ্খলা থেকে বের করার স্বার্থে নেতানিয়াহু যদি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান, তবে বিচার প্রক্রিয়া বন্ধের পক্ষে থাকব।” ২০২১ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়া বেনেটের নেতৃত্বাধীন জোট সরকার নেতানিয়াহুকে সরিয়ে দিয়েছিল। ২০২২ সালের নির্বাচনে নেতানিয়াহু আবার ক্ষমতায় ফেরেন। সমীক্ষা অনুযায়ী, নেতানিয়াহু রাজনীতি ছাড়লে পরবর্তী সরকারপ্রধান হওয়ার সম্ভাবনা বেনেটের সবচেয়ে বেশি।

নেতানিয়াহু দীর্ঘতম মেয়াদে দায়িত্ব পালনকারী প্রধানমন্ত্রী। দীর্ঘ তদন্তের পর ২০১৯ সালে তার বিরুদ্ধে ঘুষ, জালিয়াতি ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়। বিচার কার্যক্রম শুরু হয় ২০২০ সালে। নেতানিয়াহু বারবার সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার আইনজীবীরা জানিয়েছেন, বিচার শেষ হলে তিনি সম্পূর্ণ খালাস পাবেন।

সোমবার তেল আবিব আদালতের বাইরে ছোট বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভকারীরা নেতানিয়াহুকে কারাগারে পাঠানোর দাবি জানান। ইলানা বারজিলাই নামে একজন বলেন, দোষ স্বীকার না করেই ক্ষমা চাওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।

নেতানিয়াহুর আইনজীবীরা রবিবার প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হেরজগের উদ্দেশে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করেন, ঘনঘন আদালতে হাজিরা দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর শাসন পরিচালনায় বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। তারা বলেন, ক্ষমা দেশের জন্যও উপকারী হবে।

আইন অনুযায়ী, ইসরায়েলে সাধারণত আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়া এবং দণ্ড ঘোষণার পরই ক্ষমা দেওয়া হয়। বিচার চলাকালীন ক্ষমা প্রদানের কোনো নজির নেই। প্রেসিডেন্ট হেরজগ সোমবার এক বিবৃতিতে স্বীকার করেছেন, ক্ষমার আবেদন দেশজুড়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে এবং বহু ইসরায়েলিকে উদ্বিগ্ন করেছে। তিনি বলেন, “আমি ইসরায়েলের সর্বোত্তম স্বার্থই একমাত্র বিবেচনা করব।”


এ সম্পর্কিত আরো খবর