ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডাকসু ভিপি মামলায় বাকস্বাধীনতার হরণ: ছাত্রদল


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০২ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ১:১৫ পিএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম মামলা দায়ের করে বাকস্বাধীনতা হরণ করেছেন বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির মামলাটি প্রত্যাহার করে শিক্ষার্থীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

ছাত্রদলের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে কেন্দ্রীয় নেতা সাদিক কায়েম কয়েকটি ফেসবুক আইডি ও পেজের বিরুদ্ধে বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি অনলাইনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত থাকার কারণে সাদিক কায়েম বাকস্বাধীনতা হরণের কৌশল রপ্ত করেছেন। তার দায়ের করা সাইবার মামলা মিম পেজ, ট্রল পেজসহ অনলাইনে নানা প্রকাশনাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। ছাত্রদল অভিযোগ করেছে, এই ধরনের মামলাবাজি ছাত্রশিবিরের অসহিষ্ণুতার বহিঃপ্রকাশ।

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার পূর্ববর্তী ফ্যাসিবাদী আমলের সাইবার আইন বিলুপ্ত করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছেন। তবে সাইবার আইনের অপব্যবহার করে সাদিক কায়েম শেখ হাসিনার পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন। তিনি যে বিষয়ে মামলা দায়ের করেছেন, তা সাইবার সুরক্ষা আইন বা অন্য কোনো আইনের অধীনে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় না। আইনি প্রক্রিয়া ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করাই তার উদ্দেশ্য।

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের ২৮ ধারায় বলা হয়েছে, কেউ জেনে-শুনে মিথ্যা মামলা দায়ের করলে অভিযোগকারী দণ্ডিত হবেন। ছাত্রদলের বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কিছুদিন আগে সাদিক কায়েম নিজেই এক বিএনপি নেতাকে মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন। তার অনুসারীরা অনলাইনে নারীদের হেনস্থা ও ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর সংঘবদ্ধ সাইবার সন্ত্রাস চালাচ্ছেন।

ছাত্রদল বলেছে, ডাকসুর ভিপি পদধারী কোনো ছাত্রনেতার শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা ন্যাক্কারজনক ও নজিরবিহীন। ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে তিনি ‘ফ্রিডম অব অনলাইন এক্সপ্রেশন’-এর অধিকারকে অবজ্ঞা করেছেন।

রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও নাছির উদ্দীন নাছির শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়েছেন, সাদিক কায়েম আইনি প্রক্রিয়ায় মামলা প্রত্যাহার করে শিক্ষার্থীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করুন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর