ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের ৮০ শতাংশ এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া


  • আপলোড সময় : বুধবার ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ১:২১ পিএম

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে ব্যাপক কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করেছে। পাকিস্তান সীমান্তের ৯৩ শতাংশ এবং বাংলাদেশ সীমান্তের ৮০ শতাংশ এলাকায় এই বেড়া বসানো হয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রায় মঙ্গলবার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান।

পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের স্থল সীমান্ত ২,২৮৯.৬৬ কিলোমিটার এবং বাংলাদেশের সঙ্গে ৪,০৯৬.৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ। নিত্যানন্দ রায় জানান, পাকিস্তান সীমান্তের ২,১৩৫.১৩৬ কিলোমিটার (৯৩.২৫ শতাংশ) এবং বাংলাদেশ সীমান্তের ৩,২৩৯.৯২ কিলোমিটার (৭৯.০৮ শতাংশ) এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া বসানো হয়েছে।

মিয়ানমারের সঙ্গে ভারতের ১,৬৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তেও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ৯০৫.২১৪ কিলোমিটার এলাকায় বেড়ার কাজ শেষ হয়েছে।

ভারতের স্থল ও জলসীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ১৫,১০৬.৭ বর্গকিলোমিটার ও ৭,৫১৬ বর্গকিলোমিটার। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত স্থল সীমান্ত হিসেবে সবচেয়ে দীর্ঘ। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুপ্রবেশকারীদের ঠেকানো এবং জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় সীমান্ত এলাকায় কড়াকড়ি আরোপকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া বসানো হচ্ছে বিশেষ করে অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক, মানবপাচার এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধের জন্য। ভারত সরকারের এই উদ্যোগ নিরাপত্তা বৃদ্ধির পাশাপাশি সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী করতে সহায়তা করছে।

নিত্যানন্দ রায় বলেন, সীমান্তে বেড়া বসানোর মাধ্যমে কেবল নিরাপত্তা বাড়ানোই নয়, বরং সীমান্ত অঞ্চলের শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যও অর্জিত হচ্ছে। এছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকার জনগণকে দুর্ঘটনা ও সংঘাতের ঝুঁকি কমানোর জন্য স্থানীয় প্রশাসনও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

অন্যদিকে, ভারতের সঙ্গে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, চীন ও মালদ্বীপ—এই আট দেশের স্থল ও জলসীমান্ত রয়েছে। এসব সীমান্তের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ভারতের নিরাপত্তা নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় ভারত সরকারের সচেতনতা ও নিরাপত্তা নীতির বাস্তবায়নের উদাহরণ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর