ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬,  ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯২৯ ৪৮ শতাংশ শিক্ষার্থীর মৌলিক জ্ঞান অর্জন হলো না কেন, দায় কার? হাম ও হামের উপসর্গে দেশে মোট মৃত্যু বেড়ে ১২৫৪ প্রধানমন্ত্রীর নজরে টাঙ্গাইলের বাবুপুরের মাঠ: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর যুগান্তকারী ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ২৬টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা ধ্বংস করেছে ইরান মাদারীপুরে জামায়াত নেতার ঘর-বাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী একজন ৫টির বেশি অটোরিকশার মালিক হতে পারবেন না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম মিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুন, নেভাতে গিয়ে হামলার শিকার ফায়ার সার্ভিস রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ইন্ডিয়া জোটের দিল্লি পদযাত্রা, পাল্টা র‍্যালি বিজেপির ৭০০ ই-রিকশার মধ্যে ৫টির বৈধ নিবন্ধন পাবেন গোলাম পরওয়ার: প্রতিমন্ত্রী

ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের ৮০ শতাংশ এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া


  • আপলোড সময় : বুধবার ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ১:২১ পিএম

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে ব্যাপক কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করেছে। পাকিস্তান সীমান্তের ৯৩ শতাংশ এবং বাংলাদেশ সীমান্তের ৮০ শতাংশ এলাকায় এই বেড়া বসানো হয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রায় মঙ্গলবার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান।

পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের স্থল সীমান্ত ২,২৮৯.৬৬ কিলোমিটার এবং বাংলাদেশের সঙ্গে ৪,০৯৬.৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ। নিত্যানন্দ রায় জানান, পাকিস্তান সীমান্তের ২,১৩৫.১৩৬ কিলোমিটার (৯৩.২৫ শতাংশ) এবং বাংলাদেশ সীমান্তের ৩,২৩৯.৯২ কিলোমিটার (৭৯.০৮ শতাংশ) এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া বসানো হয়েছে।

মিয়ানমারের সঙ্গে ভারতের ১,৬৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তেও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ৯০৫.২১৪ কিলোমিটার এলাকায় বেড়ার কাজ শেষ হয়েছে।

ভারতের স্থল ও জলসীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ১৫,১০৬.৭ বর্গকিলোমিটার ও ৭,৫১৬ বর্গকিলোমিটার। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত স্থল সীমান্ত হিসেবে সবচেয়ে দীর্ঘ। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুপ্রবেশকারীদের ঠেকানো এবং জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় সীমান্ত এলাকায় কড়াকড়ি আরোপকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া বসানো হচ্ছে বিশেষ করে অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক, মানবপাচার এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধের জন্য। ভারত সরকারের এই উদ্যোগ নিরাপত্তা বৃদ্ধির পাশাপাশি সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী করতে সহায়তা করছে।

নিত্যানন্দ রায় বলেন, সীমান্তে বেড়া বসানোর মাধ্যমে কেবল নিরাপত্তা বাড়ানোই নয়, বরং সীমান্ত অঞ্চলের শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যও অর্জিত হচ্ছে। এছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকার জনগণকে দুর্ঘটনা ও সংঘাতের ঝুঁকি কমানোর জন্য স্থানীয় প্রশাসনও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

অন্যদিকে, ভারতের সঙ্গে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, চীন ও মালদ্বীপ—এই আট দেশের স্থল ও জলসীমান্ত রয়েছে। এসব সীমান্তের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ভারতের নিরাপত্তা নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় ভারত সরকারের সচেতনতা ও নিরাপত্তা নীতির বাস্তবায়নের উদাহরণ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর