ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মায়ের কোনো কথা বা ব্যবহারে কেউ আঘাত পেলে ক্ষমা চান তারেক রহমান


তারেক রহমান

  • আপলোড সময় : বুধবার ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৫:১২ পিএম

বেগম জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

তারেক রহমান বলেন, “আমি মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বড় সন্তান তারেক রহমান। উনি জীবিত থাকাকালীন অবস্থায় যদি আপনাদের কারো কাছ থেকে কোনো ঋণ নিয়ে থাকেন, তাহলে দয়া করে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। আমি ইনশাআল্লাহ সেটি পরিশোধের ব্যবস্থা করব।” তিনি আরও বলেন, “একই সঙ্গে উনি জীবিত থাকাকালীন অবস্থায় ওনার কোনো ব্যবহারে কিংবা কোনো কথায় যদি কেউ আঘাত পেয়ে থাকেন, তাহলে মরহুমার পক্ষ থেকে আমি আপনাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।”

বক্তব্যে তারেক রহমান দেশবাসীর কাছে তার মায়ের জন্য দোয়া কামনা করেন। তিনি বলেন, “দোয়া করবেন, আল্লাহ তায়ালা যেন ওনাকে বেহেশত নসিব করেন।” তার এই বক্তব্য জানাজায় উপস্থিত লাখো মানুষের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি করে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা বুধবার বিকেল ৩টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ উপস্থিত হন। পুরো এলাকায় জনস্রোতের সৃষ্টি হয় এবং কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা পড়ান জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক। জানাজার শুরুতে মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

এই জানাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা, বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকে আগত অতিথি, রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররাও জানাজায় অংশ নেন।

জানাজা শেষে বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের জন্য নেওয়া হয়। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নেত্রীর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক সহকর্মী ও বিরোধী দলের নেতারাও তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন।

বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার জানাজা ও দাফন ঘিরে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ তার রাজনৈতিক প্রভাব ও জনপ্রিয়তারই প্রতিফলন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আকাশজমিন/ আরআর


এ সম্পর্কিত আরো খবর