ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পদত্যাগের পর থেকে চুপ থাকতে বলা হয়েছে: তাজনূভা জাবিন


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০৬ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৩:৩৪ পিএম

সাবেক এনসিপি নেত্রী তাজনূভা জাবিন জানিয়েছেন, পদত্যাগের পর থেকে তাকে বিএনপি-জামায়াত কারো সমালোচনা না করতে, চুপচাপ থাকতে এবং বেশি বিপ্লবী না হতে বলা হয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, আল্লাহ ছাড়া তাকে কেউ থামাতে পারবে না।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক-এ নিজের ভেরিফায়েড আইডি থেকে একটি টেলিভিশন টকশোর ভিডিও শেয়ার করে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ভিডিও লিংক শেয়ার করে তাজনূভা জাবিন লিখেছেন, তিনি ঢাকা-১০ আসনে এবি পার্টির নাসরিন সুলতানা মিলির প্রচারণা পর্যবেক্ষণ করছেন। পোস্টারে মিলির ছবি দেখে তিনি খুঁজে বের করেছেন এবং জানিয়েছেন যে, নাসরিন মনোনয়ন নিয়েছেন। তবে দলের দুইজন পুরুষের নেতৃত্ব সর্বদা প্রাধান্য পায়, যা নারী নেতৃত্বকে পিছনে রাখে।

তিনি আরও প্রশ্ন তুলেছেন, একজন নারী যদি যথাযথ সমর্থন পেতেন, তাহলে দল দুই থেকে তিনজনের পরিবর্তে আরও এগোতে পারত। তিনি উল্লেখ করেছেন, বিএনপির খারাপ সময়ে রুমিন ফারহানা, নিলুফার মনি, মাহমুদা হাবিবা, পাপিয়া আপারা দলের আওয়াজ ছিলেন। কিন্তু ভালো সময়ে পুরুষরা নেতৃত্বের আসন দখল করেছেন। সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী হওয়া সত্ত্বেও নারীরা দলের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা পান না। ভবিষ্যতে বিভিন্ন নেতার সন্তানদের সুবিধা পেলে প্রশ্ন তোলা যাবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

টকশোতে তিনি মন্তব্য করেছেন, নারী নেতৃত্বের ক্ষেত্রে পুরুষদের গলাবাজি ১০০ তে ১০০, কিন্তু বাস্তবে কাজের দিক থেকে ১০০ তে ০। তিনি ভোটারদের মনে করিয়ে দিতে চেয়েছেন, গণঅভ্যুত্থানে মেয়েরা দেশের জন্য কী ভূমিকা রেখেছিল এবং পরবর্তীতে তাদের প্রতিদান কি পাওয়া গেছে। তিনি নারীদের প্রাপ্য সুশৃঙ্খল সর্বদলীয় ঐক্য এবং প্রতিনিধিত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন।

তিনি তার পোস্টে উল্লেখ করেছেন, “ভোটের আগে মনে রাখুন, গণঅভ্যুত্থানে মেয়েরা দেশের জন্য কী করেছে এবং পরবর্তীতে তার কী প্রতিদান দিয়েছে দেশ। নারী নেতৃত্বের প্রতি বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া এবং সুশৃঙ্খল সর্বদলীয় ঐক্য প্রয়োজন।”

তাজনূভা জাবিনের এই বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেছেন, পদত্যাগের পরও তিনি নারীদের অধিকার ও নেতৃত্বের বিষয়গুলো নিয়ে সক্রিয় থাকার পরিকল্পনা করছেন এবং কোনো রাজনৈতিক চাপ তাকে থামাতে পারবে না।


এ সম্পর্কিত আরো খবর