ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬,  ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৩ সিটি করপোরেশনে ই-রিকশার নিবন্ধন শুরু সোমবার: মীর শাহে আলম দিল্লিতে আজ ইন্ডিয়া জোটের মেগা সমাবেশ, জমায়েত হতে পারে লাখো মানুষ ট্রাম্পের হুমকির মুখে সেনা কমান্ডারদের বড় নির্দেশ মোজতবা খামেনির তৈরি পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করল সরকার টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেডে রণক্ষেত্র মিরপুর, চরম উত্তেজনা ধানখেতে মিললো অজ্ঞাতনামা নারী-পুরুষের অর্ধগলিত মরদেহ জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে জার্মানিতে জেন জি’র তীব্র বিক্ষোভ কালিয়াকৈরে মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিক বিক্ষোভ দ্বিতীয় দিনের মতো মিরপুরে সড়ক অবরোধ, বন্ধ যান চলাচল সাইবার হামলার শিকার ডিএমপি নিউজ, ওয়েবসাইটে আপত্তিকর বার্তা

প্রতীক বরাদ্দের আগে নির্বাচনী প্রচারণা নিষিদ্ধ: ইসি


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০৬ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৩:৩৯ পিএম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের আগে কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সোমবার (৫ জানুয়ারি) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইসি সচিবালয়ের জনসংযোগ পরিচালক ও তথ্য কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতীক বরাদ্দের আগে কোনো প্রকার নির্বাচনী প্রচারণা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। এটি মানা না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আগামী ২১ জানুয়ারি নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দের পর নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত আচরণ বিধিমালা মেনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য নির্বাচনী প্রচারণা করার অনুমতি থাকবে। তবে ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে, অর্থাৎ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা সমাপ্ত করতে হবে।

নির্বাচন কমিশন মনে করিয়ে দিয়েছে, প্রতীক বরাদ্দের আগে কোনো ধরনের প্রচারণা আইনত অপরাধ। এর মধ্যে নির্বাচনী সভা, র‌্যালি, পোস্টার বা অনলাইন প্রচারণা সবই অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া প্রার্থীর পক্ষে অনুরূপ কার্যক্রম চালানোও নিষিদ্ধ।

এই নিয়ম মানা প্রার্থীদের জন্য সুব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভোটারদের জন্যও সুষ্ঠু ও ন্যায্য নির্বাচন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্য বহন করে। নির্বাচন কমিশন সতর্ক করেছে, নিয়ম লঙ্ঘন করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইসি আরও আহ্বান জানিয়েছে, নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা মেনে সকল প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলকে দায়িত্বশীলভাবে নির্বাচন পরিচালনা করতে হবে। এতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী হবে এবং ভোটারদের জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত হবে।

এর আগে নির্বাচনী কার্যক্রমের সময়সূচি ও আচরণ বিধিমালা সংক্রান্ত সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ইসি সচিবালয় বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন করেছে। এছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় কর্মকর্তাদের মাধ্যমে নিয়মিত পরিদর্শন ও নজরদারি করা হবে। নির্বাচন কমিশন আশা করছে, সকল প্রার্থী ও রাজনৈতিক দল নিয়ম মেনে নির্বাচনী পরিবেশকে শান্তিপূর্ণ এবং সুষ্ঠু রাখবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর