ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

ভালুকার এমপি যদি আমি হই, তাহলে এমপি চলবে আপনাদের কথায়: মোর্শেদ আলম


  • আপলোড সময় : রবিবার ০১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৬:৪১ পিএম

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:

ভালুকায় অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী পথসভায় উন্নয়ন বঞ্চনা, ভোটের মর্যাদা এবং জনপ্রতিনিধিত্বের নতুন ধারণা তুলে ধরে বক্তব্য দিয়েছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম। তিনি বলেন, ভালুকার এমপি যদি আমি হই, তাহলে এমপি চলবে আপনাদের কথায়। আপনারাই মালিক, আমি শুধু প্রতিনিধি।

রবিবার (১লা ফ্রেবুয়ারী) সকালে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বলেন, আপনারা মাঠে একটু আমার জন্য কাজ করে দেন। আমার জন্য না, আপনাদের নিজেদের জন্য। আপনারা সবাই এমপি ক্যান্ডিডেট। আমি একা নই। এ সময় উপস্থিত জনতা সমর্থনসূচক সাড়া দেয়।

মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম বলেন, এ নির্বাচন কোনো প্রতীকের নির্বাচন নয়, এটি ব্যক্তির নির্বাচন। মানুষ কাকে বিশ্বাস করবে, কাকে দায়িত্ব দেবে, সেটাই এখানে মুখ্য। তিনি দাবি করেন, ভালুকা পৌরসভা ও উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের প্রতিটি কেন্দ্রেই ভোটারের সংখ্যা ও গুরুত্ব প্রায় সমান। একটি ওয়ার্ডের ভোটকে যেমন অবহেলা করা যায় না, তেমনি কোনো ইউনিয়নকেও ছোট করে দেখার সুযোগ নেই।

উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আজকের এই রাস্তাগুলো দেখেন, মিল-ফ্যাক্টরির লোকজন করেছে, ইন্ডাস্ট্রির মালিকরা করেছে। সরকারিভাবে হলেও আমাদের এলাকায় একটি রাস্তাও করা হয়নি। শুধু নেবে, বিনিময়ে কিছুই দেবে না, এটা আর চলতে পারে না। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এত ভাড়া দিয়ে জনগণকে কেন চলতে হবে, কামরা বা বিনিময়ে তারা কী পাচ্ছে?

ভৌগোলিক তুলনা টেনে তিনি বলেন, ভালুকা থেকে টাঙ্গাইলের সীমানা, কুড়াহাটি, শ্রীপুর, গফরগাঁও কিংবা ধীতপুরের দিকে গেলে দেখা যায়, ওসব এলাকায় ভোটের কোনো কমতি নেই, মানুষের অংশগ্রহণও দৃশ্যমান। অথচ ভালুকা বারবার বঞ্চিত হচ্ছে।

রাজনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, গত চারটি নির্বাচনে এই এলাকার মানুষ দেখেছে, ৭০ থেকে ৮০ জন প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগ করত, বিশেষ করে জামিরদিয়া ও ডুবালেটের ঘাট এলাকায়। তবুও চেয়ারম্যান নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে পিছপা হয়নি। ভয় বা চাপ নয়, ভালুকার মানুষ সবসময় নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিয়েছে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর