স্টাফ রিপোর্টার:
তিনি সাংবাদিকতার মাধ্যমে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁর কাজের মাধ্যমে সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং জনগণের অধিকার রক্ষায় ভূমিকা রেখেছেন। মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা বলেন, “জাতীয় প্রেস ক্লাবের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে শৌচাগার থেকে তার মরদেহ উদ্ধার হওয়া অত্যন্ত রহস্যজনক ও দুঃখজনক। কিভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, তা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত উদঘাটন করতে হবে। প্রকৃত ঘটনা জাতির সামনে তুলে ধরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।”
তিনি আরও বলেন, “তার অকাল মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। দেশ একজন নিষ্ঠাবান সাংবাদিককে হারালো। আমি তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।”
বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতি আলী মাহমুদের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে দ্রুত তদন্ত ও দায়ীদের বিচারের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটি মনে করছে, সাংবাদিকতার পেশাগত দায়িত্ব পালন করার কারণে এমন কোনো ঘটনা ঘটে থাকলে তা প্রতিরোধ করা অত্যন্ত জরুরি।
আলী মাহমুদের মৃত্যু সামাজিক ও সাংবাদিক মহলে গভীর দুঃখ সৃষ্টি করেছে। পেশাজীবী ও সাধারণ জনগণ এ ঘটনায় উদ্বিগ্ন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিক সংগঠনগুলোও এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন, এই ঘটনার দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হোক।
সাংবাদিকদের মতে, আলী মাহমুদের কর্মজীবন সাংবাদিকতার প্রতি নিষ্ঠা ও সততার প্রতীক ছিল। তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন তৈরি করেছেন এবং দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়গুলোকে মানুষের সামনে তুলে ধরেছেন।
এই অকাল মৃত্যু সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। দেশের বিভিন্ন কোণ থেকে মানুষ এবং সাংবাদিকরা তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে শোক প্রকাশ করেছেন।
মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা বলেন, “আমরা আশা করি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন, যাতে এমন দুঃখজনক ঘটনা ভবিষ্যতে আর না ঘটে।”
আকাশজমিন
/ আরআর