ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিরোধীদলীয় নেতা, উপনেতা ও হুইপ হলেন যারা


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৫:১৮ পিএম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিরোধীদলীয় উপনেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। আর বিরোধীদলীয় হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নাহিদ ইসলাম।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ১১ দলীয় জোটের সভা শেষে এ তথ্য জানান ডা. শফিকুর রহমান। সভায় জোটের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা এবং গণভোটের রায়কে সম্মান জানানো সবার দায়িত্ব। তিনি বলেন, সে কারণেই তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ নিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী পালন করা হবে।

এদিকে বিরোধীদলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নিয়ে বিএনপি তাদের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। তিনি দাবি করেন, বিএনপির দেওয়া ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, এতে আইনি ও সাংবিধানিক সংকট তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, এই সংকটের দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। তিনি বিষয়টি নিয়ে সংসদে সরব থাকার ইঙ্গিত দেন।

এর আগে, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার কিছু পর জামায়াত ও জোটের সংসদ সদস্যরা শপথ নেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন তাদের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ শেষে এমপিরা শপথপত্রে সই করেন।

দলীয় সূত্র বলছে, শপথ গ্রহণের পরই জোটের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সংসদে বিরোধী দলের নেতৃত্ব এবং দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। দলটি ২১২টি আসনে জয় পায়। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট ৭৭ আসনে বিজয়ী হয়।

নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই সংসদে বিরোধীদলীয় নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত ১১ দলীয় জোটের সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধীদলীয় নেতা, উপনেতা এবং হুইপ নির্বাচন করা হয়।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নতুন সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের সম্পর্ক, সংবিধান সংস্কার পরিষদ এবং গণভোটের রায়—এসব বিষয় নিয়ে তীব্র আলোচনা হতে পারে। একই সঙ্গে সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা কতটা কার্যকর হয়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর