ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

২৯৭ এমপির মধ্যে ২৭১ জনই কোটিপতি: সুজন


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৩:৩৫ পিএম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী ২৯৭ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ২৭১ জনের সম্পদ কোটি টাকার বেশি। কোটিপতি বিজয়ী প্রার্থীর এই হার মোট প্রার্থীর ৯১.২৫ শতাংশ। আর ৫ কোটি টাকার অধিক সম্পদের মালিক ১৮৭ জন (৬২.৯৬%)। বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে সুশাসনের জন্য নাগরিক- সুজন আয়োজিত 'ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের তথ্য উপস্থাপন' শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়।

এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নির্বাচিত ২০৯ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ২০১ জনই (৯৬.১৭%) কোটি টাকার অধিক সম্পদের মালিক। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৬৮ জনের মধ্যে এই সংখ্যা ৫২ জন (৭৬.৪৭%)।

সুজনের সম্পাদক অধ্যাপক ড. বদিউল আলম মজুমদারের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের তথ্য উপস্থাপন করেন সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক দিলীপ কুমার সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে ২৫ লাখ টাকার কম সম্পদের মালিক মাত্র ২ জন (০.৬৭%)। সম্পদের ঘর পূরণ না করা ৩ জনসহ এই সংখ্যা ৫ জন (১.৬৮%)।

সুজনের বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রতিদ্বন্দ্বিতার তুলনায় নবনির্বাচিতদের মধ্যে কোটিপতির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারীদের মধ্যে কোটিপতির হার ছিল ৫৫.৬৩%। পক্ষান্তরে স্বল্প সম্পদের মালিকদের (২৫ লক্ষ টাকার কম) নির্বাচিত হওয়ার হার প্রতিদ্বন্দ্বিতার তুলনায় কম। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে স্বল্প সম্পদের মালিকদের হার ছিল ১৮.৭১% (৩৭৯ জন)। সম্পদের ঘর পূরণ না করা ৫৮ জনসহ এই হার ছিল ২১.৫৭% (৪৩৭জন)।

এতে দেখা যায়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীদের তুলনায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীদের মধ্যে কোটিপতির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীদের মধ্যে এই হার ছিল ৮৯.৯৭%; বর্তমানে যা ৯১.২৫%। পক্ষান্তরে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের মধ্যে স্বল্প সম্পদের মালিক ছিলেন ৩.০১%; বর্তমানে যা ০.৬৭%।

বিশ্লেষণে বলা যায় যে, স্বল্প সম্পদের অধিকারীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ হ্রাস পাচ্ছে, অপরদিকে অধিক সম্পদের মালিকদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

শীর্ষ দশজন সম্পদশালী

বিজয়ীদের মধ্যে শীর্ষ সম্পদশালী ১০ জনের শীর্ষে আছেন শরীয়তপুর-১ আসনের বিএনপি থেকে নির্বাচিত সাঈদ আহমেদ। যার মোট সম্পদের পরিমাণ ১১৯৯ কোটি ৯৫ লাখ ৫৬ হাজার ১১০ টাকা। অন্য সম্পদশালী বিজয়ী প্রার্থীরা হচ্ছেন, বিএনপি থেকে বিজয়ী আবদুল আউয়াল মিন্টু ফেনী-৩ (সম্পদের পরিমাণ ৯৪৬,৮১,৪৬,৮৪৭ টাকা); জাকারিয়া তাহের কুমিল্লা-৮ (৭৭০,৮৯,১৭,৭৯৪ টাকা); গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ বগুড়া-৫ (৬১৩,৫৬,৮৫,৯৯৭ টাকা); মোঃ সফিকুর রহমান (কিরন) শরিয়তপুর-২ (৫৫৭,৬৪,৯১,৪৯০ টাকা); ফখর উদ্দিন আহমেদ ময়মনসিংহ-১১ (৪৬৫,১৪,৪৫,৯৪২ টাকা); নাসের রহমান মৌলভীবাজার-৩ (৩৮০,৬৪,৭৬,৬৬৯ টাকা); মোঃ জালাল উদ্দিন চাঁদপুর-২ (৩৬৪,১২,২০,১০৬ টাকা); মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ঢাকা-৮ (৩২৫,৯৪,৮৩,২৬৬ টাকা) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত মোঃ আবদুল হান্নান চাঁদপুর-৪ (৩১৮,১৮,৪২,৪২৮ টাকা)।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর