ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি অফিসে জবাবদিহি নিশ্চিতে ডিজিটাল হাজিরার নির্দেশ ৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব

ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ


  • আপলোড সময় : সোমবার ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৪:৩৫ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎ শেষে রাষ্ট্রদূত সাংবাদিকদের জানান, “খুব ভালো বৈঠক হয়েছে।”

সাক্ষাৎ শুরু হয় প্রথমে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে এবং পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে। এ সময় দুই পক্ষ বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক ইস্যুতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। তবে বৈঠকের বিস্তারিত বিষয় সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন মন্ত্রণালয় থেকে বের হওয়ার আগে তার এক্স হ্যান্ডেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের একটি ছবি পোস্ট করেন। পোস্টে তিনি লিখেছেন, “পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন। আমাদের দুই দেশকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করতে একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে পেরে আমি আনন্দিত।”

সাক্ষাৎ চলাকালীন দুই দেশের কূটনৈতিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী উভয় পক্ষই আন্তর্জাতিক, আঞ্চলিক ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সুদৃঢ়তা এবং ভবিষ্যতের সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন। বিশেষভাবে করোনার পরপরবর্তী সময়ে দুই দেশের অর্থনীতি, বাণিজ্যিক বিনিয়োগ, নিরাপত্তা ও শিক্ষার খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে।

রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে এই বৈঠক বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি নতুন পররাষ্ট্র নীতি বাস্তবায়নের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের গভীরতা বাড়ানোর দিকেও ইঙ্গিত দেয়। বৈঠক শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার জন্য একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন।

বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূতত্ব দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে সংযোগ ও সহযোগিতার এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বর্তমান বৈঠকও সেই ধারাবাহিকতার অংশ। দুই দেশের মধ্যে শান্তি, নিরাপত্তা এবং সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে যে সকল পরিকল্পনা ও প্রক্রিয়া নেওয়া হচ্ছে, তার মধ্য দিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মুক্ত হবে বলে কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ে সাক্ষাৎ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিকে জোরদার করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক স্তরে দেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া, বৈঠকের মাধ্যমে নতুন অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।

 আকাশজমিন / আরআর  


এ সম্পর্কিত আরো খবর