ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য : তারেক রহমান


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৩:৫৮ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের কাছে পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন অনেকটাই বোধগম্য। জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘২৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় নৃশংস সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল। ওই ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদ হন। জাতির ইতিহাসে এটি এক বেদনাবিধুর অধ্যায়।’

তিনি বলেন, ২০০৯ সালের পর দীর্ঘ সময় দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালিত হয়নি। তবে ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে তিনি সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সমবেদনা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রম এখনো চলমান। বিচারাধীন বিষয় হওয়ায় এ নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করার সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তবে তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা ছিল—নাগরিক হিসেবে বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর নানা ধরনের মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচার ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল। সেই বিভ্রান্তি কাটিয়ে সত্য উদঘাটনের প্রক্রিয়া এখন অনেকটাই পরিষ্কার। তার মতে, একটি স্বাধীন দেশের সশস্ত্র বাহিনী জাতির সম্মান, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক। সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র রাষ্ট্র ও জনগণের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের শামিল।

তারেক রহমান বলেন, ভবিষ্যতে যাতে কেউ সশস্ত্র বাহিনীকে ঘিরে কোনো ধরনের চক্রান্তে লিপ্ত হতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। জাতীয় শহীদ সেনা দিবস শুধু শোকের দিন নয়, বরং এটি নতুন করে অঙ্গীকার করার দিন—দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর শপথ নেওয়ার দিন।

তিনি বলেন, ‘দেশ এবং জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াব—এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়।’

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে আরও উল্লেখ করেন, শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের আত্মত্যাগ জাতি কখনো ভুলবে না। তাদের অবদান দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। জাতীয় জীবনে স্থিতিশীলতা, গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সবশেষে তিনি দেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান, জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাইকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। শহীদ সেনা দিবসের চেতনা ধারণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

আকাশজমিন / আরআর  


এ সম্পর্কিত আরো খবর