ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সব মন্ত্রণালয়ে সরকারের জরুরি চিঠি


  • আপলোড সময় : শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৩:৩৭ পিএম

সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি ৫১টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে এ সংক্রান্ত জরুরি চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ইশতেহারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এমন পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ৫১টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিবদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দেন যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের সর্বাধিক সমর্থনপ্রাপ্ত দলের নির্বাচনি ইশতেহার এখন জাতীয় পর্যায়ের প্রতিশ্রুতিতে পরিণত হয়েছে। ফলে ইশতেহারে দেওয়া অঙ্গীকারসমূহ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রত্যেক মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নিজ নিজ আওতাধীন খাতে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। একই সঙ্গে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়েও গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কর্মপরিকল্পনা এমনভাবে প্রণয়ন করতে হবে যাতে নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরি হয়। এতে লক্ষ্য, সময়সীমা, দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তর ও সম্ভাব্য ফলাফল উল্লেখ করার কথাও বলা হয়েছে।

চিঠিতে আরও জানানো হয়, এ নির্দেশনা অনুসারে জাতীয় প্রতিশ্রুতি (নির্বাচনি ইশতেহার-২০২৬) বাস্তবায়নে গৃহীত স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনার অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে অবহিত করতে হবে। সচিব ও সিনিয়র সচিবদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নই হবে প্রশাসনের অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, সুশাসন, অবকাঠামো উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনি ইশতেহারকে জাতীয় প্রতিশ্রুতি হিসেবে বিবেচনা করে তা বাস্তবায়নে প্রশাসনিক পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হলে সরকারের জবাবদিহিতা ও কার্যকারিতা বাড়তে পারে। একই সঙ্গে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনা করা হলে কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন সহজ হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকারের নীতিগত অঙ্গীকার বাস্তবায়নে একটি কাঠামোবদ্ধ প্রক্রিয়া শুরু হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আকাশজমিন / আরআর  


এ সম্পর্কিত আরো খবর