ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটি একদিন বেড়ে সাত দিনে উন্নীত


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৫ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৩:৪৯ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটি একদিন বৃদ্ধি করে সাত দিন করা হয়েছে। মূলত ছুটি বাড়ানোর উদ্দেশ্য হলো মানুষদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করা। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ১৮ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ছুটি কাটাতে পারবেন, এছাড়া ১৭ মার্চ শবে কদরের ছুটি থাকায় তারা টানা সাত দিনের ছুটি উপভোগ করতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “ঈদে সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

আগে সরকারের প্রাথমিক পরিকল্পনায় ছুটি ছিল ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত। তবে নতুন সিদ্ধান্তে একদিন বাড়ানোয় ১৮ মার্চও সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ১৬ মার্চ অফিস করে সরকারি চাকরিজীবীরা ১৮ মার্চ থেকে ছুটিতে যেতে পারবেন। ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) শবে কদরের ছুটিও যুক্ত থাকায় এই সময়ে তারা নির্বিঘ্নে ছুটি কাটাতে পারবেন।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। সরকার আগেই সম্ভাব্য এই তারিখ ধরে পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করেছিল। নতুন সিদ্ধান্তে একদিন বৃদ্ধি পেলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মোট সাত দিনের ছুটি ভোগ করতে পারবেন।

ঈদুল ফিতরের ছুটি বাড়ানোয় মানুষজন ঘরমুখী যাত্রায় ঝুঁকি কমাতে পারবে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাত্রী কল্যাণ সমিতি ও পরিবহন সেবা প্রতিষ্ঠানও ছুটির বিষয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফলে দীর্ঘ যাত্রার সময়ও মানুষদের সুবিধা হবে।

বাবসিকভাবে ছুটি বাড়ানোর ফলে সরকারি কাজকর্ম ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে প্রভাবিত হতে পারে। তবে সরকার মনে করছে, এই স্বল্প মেয়াদি ছুটি মানুষের যাতায়াত এবং উৎসব উদযাপনের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করবে।

এই সিদ্ধান্তের পর সরকারি দপ্তরগুলোতে কর্মসূচি সামঞ্জস্য করা হচ্ছে। ছুটির আগে ও পরে অফিস খোলা থাকবে এবং জরুরি পরিষেবা চালু রাখা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকও সরকারি ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করবে।

আগামী ঈদে ছুটি বাড়ানোয় পরিবহন সেক্টর, রেল, বিমান ও স্থল পরিবহনে ভ্রমণকারীদের জন্য বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে যাতে যাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘ্ন হয়।

সর্বশেষ, সরকারি ছুটি বৃদ্ধি করে সাত দিন করার ফলে চাকরিজীবীরা পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে আরও সময় পাবেন। সরকারের এ সিদ্ধান্ত জনস্বার্থে গ্রহণ করা হয়েছে এবং এটি উৎসবকালীন যাত্রাপথকে স্বাচ্ছন্দ্যময় করবে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর