ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬,  ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১০ কিমি যানজট শিক্ষা বোর্ডভিত্তিক এইচএসসি ফল: পাসের হারে বড় ব্যবধান হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করল সরকার বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আবারও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ বিরোধীদলের লং মার্চের কোনো যৌক্তিকতা নেই: রুহুল কবির রিজভী মিরপুর টেস্টে চার দিনেই বাংলাদেশের বড় হার, ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় ৮ উইকেটে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ হত্যা: দীপ ৪ দিনের রিমান্ডে সৌদিতে আগুনে নিহত ৭ বাংলাদেশির লাশ দেশে পৌঁছেছে ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১.৪৪%, সামান্য কমলো সাফল্য ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

সচিবালয়ে পৌঁছানোর আগে তিন শব্দে উজ্জীবিত প্রধানমন্ত্রীর কর্মকর্তারা


  • আপলোড সময় : রবিবার ০৮ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৩:৪০ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

রোববার সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে অন্যান্য দিনের মতোই বাড়ি থেকে বের হচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাড়ির দরজা খুলে উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি মাত্র তিনটি শব্দ উচ্চারণ করে চমকে দেন সবাইকে-চলেন যুদ্ধে যাই।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, বাড়ির দরজা খুলেই প্রধানমন্ত্রী মুচকি হেসে উপস্থিত সকলকে এই কথা বলেন। প্রথম দিকে উপস্থিত ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা কিছুটা হতচকিত হয়ে পড়লেও খুব দ্রুত বোঝেন, প্রধানমন্ত্রী দেশ পরিচালনার কাজকে ‘যুদ্ধ’ হিসেবে দেখছেন। তিন শব্দের এই মন্তব্যে তাঁর প্রতিদিনের সংগ্রামের ভাব ফুটে ওঠে।

আতিকুর রহমান রুমন বলেন, সকাল ৮টা ৪২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের বাসা থেকে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উদ্দেশে যাত্রা শুরু হয়। বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা দল প্রস্তুত থাকেন। প্রতিদিনের মতোই সেই প্রস্তুতির মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর হাস্যোজ্জ্বল মুখ এবং তিন শব্দের চমকপ্রদ মন্তব্য উপস্থিত সকলকে উজ্জীবিত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে সকাল সাড়ে নয়টার দিকে প্রবেশ করেন। আজ রোববার সারাদিনে তাঁর বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে। এতে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক অন্তর্ভুক্ত।

এই ছোট্ট কিন্তু শক্তিশালী বার্তা দেশের জনগণ এবং কর্মকর্তাদের মনে প্রেরণা যোগাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য তাঁর নেতৃত্বের ধরন এবং দেশ গঠনে ব্যক্তিগত সংগ্রামের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। উপস্থিত কর্মকর্তারা বলেন, এটি একটি সতর্কবার্তা যে দেশ পরিচালনা কোনও সাধারণ দায়িত্ব নয়, বরং প্রতিদিনের কঠোর পরিশ্রম ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে ‘যুদ্ধের মতো’ সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হয়।

রুমন আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর দিনটি বহু বৈঠক ও গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে ভরপুর। সকাল থেকে বিভিন্ন বৈঠকে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের শিক্ষা, বিনিয়োগ ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ দেখা যায়। ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা দলের তৎপরতাও দিনের সূচনা থেকে শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রমকে সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে সহায়তা করছে।

এ ধরনের প্রেরণামূলক মন্তব্যের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী কর্মকর্তাদের মধ্যে দায়িত্ববোধ, উদ্যম এবং দেশের জন্য প্রতিদিনের সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার মনোভাব জাগিয়ে তুলছেন। তাঁর হাস্যোজ্জ্বল উপস্থিতি ও সংক্ষিপ্ত কিন্তু প্রভাবশালী বক্তব্য প্রশাসনিক কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রেরণা যোগাচ্ছে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর