ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেল সরবরাহ বৃদ্ধি করেছে: বিপিসি


  • আপলোড সময় : বুধবার ১১ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৩:৩৭ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) দেশের পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি করেছে। বুধবার (১১ মার্চ) বিপিসি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ২৫ শতাংশ কমিয়ে তেল সরবরাহ করা হলেও, এখন তা ১৫ শতাংশে নামানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত দেশের জনগণের চাহিদা অনুযায়ী তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা রক্ষা করতে নেওয়া হয়েছে।

বিপিসি জানিয়েছে, দেশের বিভাগীয় শহরে জ্বালানি তেল (অকটেন ও পেট্রোল) ফিলিং স্টেশন প্রতি বরাদ্দ অনুযায়ী সরবরাহ করা হবে। পূর্বে ২৫ শতাংশ হ্রাস করা বরাদ্দ অনুযায়ী তেল সরবরাহ করা হতো; নতুন নির্দেশনায় তা ১৫ শতাংশে নামানো হয়েছে। এই হ্রাসকৃত বরাদ্দ অনুযায়ী তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিপিসির অধীন বিপণন কোম্পানিগুলোর ডিপো সুপার, বিক্রয় কর্মকর্তা, ডিলার ও এজেন্টকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ইরান ও ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘমেয়াদে দেশের জ্বালানির সংকট এড়াতে সরকারি নির্দেশে গত রোববার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি শুরু করা হয়েছিল। রেশনিং প্রক্রিয়ায় পাম্পগুলোতে তেলের সরবরাহ কমানোর কারণে যানবাহনের জন্য তেল নিতে পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছিল। বিপিসি বারবারই জনসাধারণকে আশ্বস্ত করেছে, দেশে তেলের কোনো সঙ্কট নেই।

বিপিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরবরাহ বৃদ্ধির এই পদক্ষেপ দেশের জ্বালানি বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করবে। এছাড়া, রেশনিং পদ্ধতির আওতায় তেলের মান নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে প্রয়োজনীয় পরিমাণ তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা যাবে। বিপিসি আশা করছে, জনগণও এই ব্যবস্থাকে মেনে চলবেন এবং পাম্পে অপ্রয়োজনীয় ভিড় এড়াবেন।

এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সরকারের উদ্দেশ্য হলো দেশের জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং যানবাহনের মালিক ও সাধারণ জনগণের তেল সরবরাহের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করা। পাম্পে তেলের অভাব বা হঠাৎ কম সরবরাহের কারণে যে কোনো ধরনের আতঙ্ক সৃষ্টি হতে পারে, তা প্রতিরোধ করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

বিপিসি আশা করছে, সরবরাহ বৃদ্ধির ফলে রেশনিং পদ্ধতিতে তেলের বরাদ্দ আরও কার্যকরভাবে প্রদান করা যাবে। একই সঙ্গে, দেশের জ্বালানি সাপ্লাই চেইন সুষ্ঠুভাবে চলমান থাকবে। প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও পাম্পের কর্মীরা সরবরাহ প্রক্রিয়ার মান উন্নয়নে বিশেষ নজর দেবেন।

উল্লেখযোগ্য, বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম ওঠানামার কারণে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা সবসময় ঝুঁকির মধ্যে থাকে। সরকার এ বিষয়ে সময়মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করে দেশবাসীকে স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করছে। বিপিসি জানিয়েছে, দেশের যেকোনো অংশে তেলের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ বজায় রাখা হবে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর