ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬,  ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১০ কিমি যানজট শিক্ষা বোর্ডভিত্তিক এইচএসসি ফল: পাসের হারে বড় ব্যবধান হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করল সরকার বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আবারও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ বিরোধীদলের লং মার্চের কোনো যৌক্তিকতা নেই: রুহুল কবির রিজভী মিরপুর টেস্টে চার দিনেই বাংলাদেশের বড় হার, ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় ৮ উইকেটে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ হত্যা: দীপ ৪ দিনের রিমান্ডে সৌদিতে আগুনে নিহত ৭ বাংলাদেশির লাশ দেশে পৌঁছেছে ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১.৪৪%, সামান্য কমলো সাফল্য ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

চট্টগ্রাম বন্দরে ৬ জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস: পথে আরও ৪ জাহাজ


  • আপলোড সময় : বুধবার ১১ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৩:৪৪ পিএম

চট্টগ্রাম বন্দরে বুধবার (১১ মার্চ) বহির্নোঙরে ৬টি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস হচ্ছে। এ তথ্য জানিয়েছেন হারবার অ্যান্ড মেরিন সদস্য কমডোর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ।

একটি ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে বন্দরে এলপিজি, এলএনজি এবং জ্বালানি তেলবাহী জাহাজগুলো নিরাপদভাবে খালাস প্রক্রিয়ায় রয়েছে। পাশাপাশি দেশের পথে আরও ৪টি জাহাজ আসছে, যা আগামী দিনে বন্দরের জলসীমায় প্রবেশ করবে। এর মধ্যে একটি জাহাজ আজই প্রবেশ করবে এবং দুইটি যথাক্রমে ১২ ও ১৪ মার্চ বন্দরে পৌঁছাবে।

কমডোর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ জানান, সব জাহাজকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে বন্দরে জ্বালানি খালাস দ্রুত ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে। এছাড়া বহির্নোঙরে থাকা মাদার ভেসেলের নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের কর্তৃপক্ষ জানায়, এলপিজি, এলএনজি ও তেলবাহী জাহাজগুলোর নিরাপত্তা এবং খালাস কার্যক্রম সুনিশ্চিত করতে বন্দরের অভ্যন্তরীণ ও বহির্নোঙরে বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে। বন্দরের কর্মীদের পাশাপাশি হেভি ক্রেন ও লোডিং-আনলোডিং ব্যবস্থার আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে।

বন্দর সূত্রে আরও জানা যায়, বর্তমানে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে বন্দরে আগত প্রতিটি জাহাজকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খালাসের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে এলএনজি ও এলপিজি সরবরাহ দ্রুত করার জন্য বন্দরের সব ডক ও জেটির প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগত জাহাজগুলোর নিরাপত্তার জন্য বন্দরে কোস্টগার্ড ও নিরাপত্তা বাহিনী অবস্থান করছে। বন্দরের বহির্নোঙরে থাকা মাদার ভেসেলের নিরাপত্তা এবং জাহাজগুলোর খালাস প্রক্রিয়ার পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

বন্দর প্রশাসন আশা করছে, দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে এ ধরনের ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশের বিভিন্ন জ্বালানি বিতরণ কেন্দ্রে তেল ও গ্যাস সরবরাহে কোনো ধরনের বিলম্ব হবে না। বর্তমানে দেশে তেলের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায়, বন্দরে আগত জাহাজগুলোর দ্রুত খালাস নিশ্চিত করা জরুরি।

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সরাসরি দেশের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প, এলএনজি ও এলপিজি ডিপোতে জ্বালানি সরবরাহ করা হয়। তাই বন্দরে জাহাজ খালাসের সময়সূচি সঠিকভাবে মানা দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বন্দর কর্মকর্তা আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ বলেন, “আমরা সব ধরনের নিরাপত্তা ও লজিস্টিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। জাহাজগুলো দ্রুত এবং সুষ্ঠুভাবে খালাস হবে। দেশজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হবে না।”

চট্টগ্রাম বন্দরের এই কার্যক্রম দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে এই সময়ে যেখানে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে, বন্দরের সুষ্ঠু কার্যক্রম দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে সহায়ক হবে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর