ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংসদে বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৪:৫১ পিএম

জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) অনুষ্ঠিত অধিবেশনে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেন। পরে সংসদে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।

সংসদের কার্যক্রম পরিচালনা এবং সংসদ সদস্যদের বিশেষ অধিকার সংক্রান্ত বিষয়গুলো দেখভালের জন্য এই স্থায়ী কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সংসদের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ বা সংসদ সদস্যদের অধিকার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এই কমিটিতে উত্থাপন করা হয় এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ করা হয়।

স্পিকারের সভাপতিত্বে গঠিত এই কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা তারেক রহমান, বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম, লক্ষ্মীপুর-আসনের সংসদ সদস্য হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান, নোয়াখালী-আসনে বিএনপির এমপি জয়নুল আবেদীন ফারুক এবং ঢাকা-১১ আসনে এনসিপির এমপি নাহিদ ইসলাম।

সংসদীয় বিধি অনুযায়ী, বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি সংসদের একটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটি হিসেবে বিবেচিত হয়। সংসদ সদস্যদের বিশেষ অধিকার সংরক্ষণ, সংসদের মর্যাদা রক্ষা এবং সংসদীয় কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে এই কমিটি ভূমিকা পালন করে থাকে।

এছাড়া সংসদের কার্যক্রমের সময় কোনো সদস্যের বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে কি না, কিংবা সংসদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার মতো কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না—সে বিষয়গুলোও এই কমিটি পর্যালোচনা করে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই এই কমিটি গঠন করায় সংসদের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন হলো বলে মনে করা হচ্ছে। সংসদীয় কার্যক্রমে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সদস্যদের অধিকার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে এই কমিটির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আকাশজমিন / আরআর


এ সম্পর্কিত আরো খবর