ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরান থেকে ১৮৬ বাংলাদে‌শিকে আজারবাইজানে নেওয়া হয়েছে


  • আপলোড সময় : শুক্রবার ২০ মার্চ, ২০২৬ সময় : ১১:২৭ এএম

ইরান থেকে ১৮৬ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আজারবাইজানে নেওয়া হয়েছে। দেশ প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে ইরান সীমান্ত দিয়ে তাদের আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বাংলাদেশিরা বাকুতে পৌঁছেছেন এবং শুক্রবার (২০ মার্চ) তারা ঢাকায় ফেরার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, যুদ্ধবিধস্ত ইরান থেকে আটকে পড়া বাংলাদেশিরা নিরাপদে আজারবাইজানে পৌঁছেছে। বাকুর হায়দার আলিয়েভ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রত্যাবাসনের এই প্রক্রিয়াটি তদারকির জন্য তুরস্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হক আজারবাইজানে অবস্থান করছেন। এছাড়া, ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মকর্তা সহায়তার জন্য বাকুতে উপস্থিত রয়েছেন।

এ ধরনের প্রত্যাবাসনের ঘটনা নতুন নয়। গত বছর জুনে ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের সময়ও বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। তখনও সীমান্ত দিয়ে পাকিস্তান হয়ে বিশেষ ফ্লাইটে বাংলাদেশিরা দেশে পৌঁছেছিলেন।

তথ্য অনুযায়ী, এ বছরও বাংলাদেশের নাগরিকদের সুরক্ষিত প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিয়েছে। ইরান সীমান্তে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা দীর্ঘ সময় ধরে নিরাপদ দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন। এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম তাদের জন্য আশার আলো হয়ে এসেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা বলেন, “প্রত্যেক নাগরিককে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। এ ধরনের আয়োজন সরকার এবং দূতাবাসের সমন্বয়ে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা হচ্ছে।”

ইরান থেকে বাংলাদেশিদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক নিয়ম এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিমানবন্দর থেকে তাদের নিরাপদে ঢাকায় পৌঁছানোর জন্য ফ্লাইট পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়া ফেরার সময় স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষার দিকেও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

বর্তমানে বাকুতে থাকা বাংলাদেশিরা সব ধরনের সুবিধা পাচ্ছেন। তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্য, আশ্রয় এবং চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে তারা স্বজনদের সঙ্গে মিলিত হতে পারবে।

বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে ফেরানো তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া সরকারের গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর