ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মহান স্বাধীনতা দিবস: সাভারে নিরাপত্তা জোরদার


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৫ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৩:৫১ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভোরে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে একাত্তরের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হাজারো মানুষ উপস্থিত হবেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে, যাতে প্রতিটি অনুষ্ঠানে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন পরিবেশ নিশ্চিত হয়।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে স্মৃতিসৌধ এলাকা ধোয়া-মোছা, আলোকসজ্জা ও ফুলগাছ স্থাপনসহ বর্ণিল আকারে সাজানো হয়েছে। ১০৮ হেক্টর সবুজে ঘেরা এলাকা রং-তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা বেদি সংলগ্ন সিঁড়ি ও লাল-সবুজের আভায় সেজেছে। উপস্থিতরা জানান, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। তাই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত প্রস্তুতি তদারকি করা হচ্ছে।

সাভার গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার খান আনু বলেন, “জাতীয় স্মৃতিসৌধের পুরো এলাকা পরিষ্কার করা হয়েছে। রং-তুলির কাজ, ফুলগাছ স্থাপন ও লেক সংস্কার করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে, যাতে নিরাপত্তা তদারকি সহজ হয়।”

মহান স্বাধীনতা দিবসের প্রথম শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর স্মৃতিসৌধ সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হবে। দিবসটি উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে।

ঢাকা জেলা পুলিশের ট্রাফিক উত্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম জানান, “সব পর্যায়ে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত করা হয়েছে। যারা স্মৃতিসৌধে আসবেন, তারা নির্বিঘ্নে আসতে এবং শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারবেন। প্রতিটি শ্রেণী-পেশার মানুষের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে।”

এদিন সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ পুরোপুরি প্রস্তুত থাকবে। রাত পোহালেই হাজারো মানুষ শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। উপস্থিত থাকবেন বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষ। স্মৃতিসৌধ এলাকা প্রস্তুতির পাশাপাশি ট্রাফিক ও জনসমাগমের তদারকি তীব্র করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী বিভিন্ন স্থানেও সরকারি এবং বেসরকারি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, কারণ এটি বীর শহিদদের স্মৃতিস্মরণ এবং জাতীয় ঐতিহ্য ধরে রাখার প্রধান কেন্দ্র। প্রতিটি অনুষ্ঠানকে স্মারক করে তোলার জন্য আলোকসজ্জা, পতাকা, ফুলগাছ ও রঙের ব্যবহার করা হয়েছে।

নিরাপত্তা ও জনসমাগম তদারকির জন্য পুলিশ, র‌্যাব, বিআরটিএ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা সংস্থার সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়া মেডিকেল টিম, ফায়ার সার্ভিস ও জরুরি সেবা সরবরাহের জন্য প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর