ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬,  ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১০ কিমি যানজট শিক্ষা বোর্ডভিত্তিক এইচএসসি ফল: পাসের হারে বড় ব্যবধান হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করল সরকার বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আবারও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ বিরোধীদলের লং মার্চের কোনো যৌক্তিকতা নেই: রুহুল কবির রিজভী মিরপুর টেস্টে চার দিনেই বাংলাদেশের বড় হার, ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় ৮ উইকেটে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ হত্যা: দীপ ৪ দিনের রিমান্ডে সৌদিতে আগুনে নিহত ৭ বাংলাদেশির লাশ দেশে পৌঁছেছে ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১.৪৪%, সামান্য কমলো সাফল্য ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

চায়ের দোকানের পাশে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ বক্স :জনমনে আতঙ্ক


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৫ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৫:৪২ পিএম

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্র মাধবপুর বাজারে একটি খোলা বৈদ্যুতিক বক্স জনমনে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। বাজারের সুরেশ প্লাজার উত্তর পাশে একটি চায়ের দোকানের ঠিক পাশেই বক্সটি দীর্ঘদিন ধরে খোলা অবস্থায় থাকায় প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন সাধারণ মানুষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বক্সটির ভেতরের বৈদ্যুতিক সংযোগ উন্মুক্ত অবস্থায় রয়েছে। আশপাশে কোনো নিরাপত্তা বেষ্টনী বা সতর্কতামূলক সাইনবোর্ডও নেই। ফলে প্রতিদিন শত শত ক্রেতা, পথচারী ও দোকানদার অজান্তেই প্রাণঘাতী ঝুঁকির মুখে পড়ছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাজারটি অত্যন্ত ব্যস্ত হওয়ায় এখানে সবসময় মানুষের ভিড় লেগেই থাকে। বিশেষ করে চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দেওয়া লোকজনের সংখ্যা বেশি। এমন পরিস্থিতিতে খোলা বৈদ্যুতিক বক্স যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সুরেশ প্লাজার মালিক সঞ্জিত রায়ের উদ্যোগে বক্সটি স্থাপন করা হলেও পরবর্তীতে এর রক্ষণাবেক্ষণে চরম অবহেলা করা হয়েছে। বিষয়টি বারবার জানানো হলেও তিনি কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেননি বলে দাবি করেন তারা।

হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বক্সের ভেতরের সংযোগ সঠিক থাকলে ঝুঁকি তুলনামূলক কম হতে পারে। তবে খোলা অবস্থায় এমন বক্স রাখা নিরাপত্তা বিধির পরিপন্থী বলেও স্বীকার করেন তারা।

স্থানীয়রা দাবি করেছেন, দ্রুত বক্সটি ঢেকে নিরাপদ করা না হলে যেকোনো সময় প্রাণহানির মতো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তারা অবিলম্বে উপজেলা প্রশাসন ও পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এদিকে সুরেশ প্লাজার মালিক সঞ্জিত রায়ের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মাধবপুর বাজারের এই বৈদ্যুতিক বক্সের অবহেলা কেবল সাধারণ মানুষের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলে রাখছে না, বরং বাজারের সচলতা ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, যদি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তবে বাজারে দৈনন্দিন জীবনে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন ও পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তাদের এই বিষয়ে তৎপরতা বাড়ানোয় স্থানীয়রা আস্থা রাখছেন। সুরেশ প্লাজার মালিকের সহায়তা ছাড়া একার পক্ষে বিষয়টি সমাধান করা কঠিন হলেও, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর