ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬,  ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১০ কিমি যানজট শিক্ষা বোর্ডভিত্তিক এইচএসসি ফল: পাসের হারে বড় ব্যবধান হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করল সরকার বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আবারও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ বিরোধীদলের লং মার্চের কোনো যৌক্তিকতা নেই: রুহুল কবির রিজভী মিরপুর টেস্টে চার দিনেই বাংলাদেশের বড় হার, ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় ৮ উইকেটে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ হত্যা: দীপ ৪ দিনের রিমান্ডে সৌদিতে আগুনে নিহত ৭ বাংলাদেশির লাশ দেশে পৌঁছেছে ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১.৪৪%, সামান্য কমলো সাফল্য ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

পদ্মা নদীতে এসএসসি শিক্ষার্থী নিখোঁজ


  • আপলোড সময় : রবিবার ২৯ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৯:১৭ পিএম

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া এলাকায় পদ্মা নদীতে গোসল করতে গিয়ে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে পদ্মা সেতুর ৪ নম্বর পিলারের কাছে এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ শিক্ষার্থীর নাম আরাফাত হোসেন। তিনি শ্রীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে আরাফাত হোসেন তার আরও তিন বন্ধুকে নিয়ে পদ্মা নদীতে গোসল করতে নামে। চারজন একসঙ্গে নদীতে নামলেও কিছু সময় পর হঠাৎ করে আরাফাত পানির নিচে তলিয়ে যায়। তার বন্ধুরা বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত তীরে উঠে আসে এবং আশপাশের লোকজনকে বিষয়টি জানায়।

ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা নদীতে নেমে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালান। তবে প্রবল স্রোত এবং পানির গভীরতার কারণে তারা আরাফাতকে খুঁজে পেতে ব্যর্থ হন। এ সময় ঘটনাস্থলে ভিড় জমে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। পরে ডুবুরি দলও ঘটনাস্থলে যোগ দেয় এবং নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উদ্ধারে অভিযান চালায়।

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, আরাফাত হোসেন তার তিন বন্ধুকে নিয়ে নদীতে গোসল করতে নামে। চারজনের মধ্যে তিনজন নিরাপদে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও আরাফাত নিখোঁজ হয়ে যায়। বিষয়টি জানতে পেরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছে।

তিনি আরও জানান, নদীর স্রোত এবং গভীরতার কারণে উদ্ধার কার্যক্রম কিছুটা জটিল হয়ে পড়েছে। তবুও নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে খুঁজে পেতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এ ঘটনায় নিখোঁজ শিক্ষার্থীর পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন। স্থানীয়রাও ঘটনাটিকে অত্যন্ত মর্মান্তিক বলে উল্লেখ করেছেন।

স্থানীয়দের মতে, পদ্মা নদীর স্রোত অত্যন্ত প্রখর হওয়ায় এখানে গোসল করা ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে সেতুর পিলারের আশপাশে পানির গভীরতা বেশি হওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। তারা এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে সতর্কতা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে খুঁজে পেতে ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর