ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

সিরাজগঞ্জে মুফতি আমির হামজার নামে শত কোটি টাকার মানহানির মামলা


  • আপলোড সময় : সোমবার ৩০ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৬:১০ পিএম

সিরাজগঞ্জে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষী বলে মন্তব্য করার অভিযোগে কুষ্টিয়ার সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা মুফতি আমির হামজার নামে শত কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর আমলি আদালতে জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. এস এম নাজমুল ইসলাম বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন। আদালতের বিচারক সুমন কুমার কর্মকার মামলাটি আমলে নিয়ে আদেশের অপেক্ষায় রেখেছেন।

বাদী অ্যাড. এস এম নাজমুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, মুফতি আমির হামজা বিদ্যুৎমন্ত্রীকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে তার সম্মানহানি করেছেন। তাই আমি আদালতে মানহানির মামলা করেছি।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর বড় জামে মসজিদে জুম্মার নামাজের খুতবা-পূর্ব আলোচনায় কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষী’ বলে মন্তব্য করেন।

বাদীর আইনজীবী উল্লেখ করেন, এই মন্তব্য দেশের গণমাধ্যমে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। এ ধরনের বক্তব্য কোনো ব্যক্তির সম্মানহানির সীমা অতিক্রম করে এবং দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই শত কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়েরের মাধ্যমে আইনি প্রতিকার নেওয়া হয়েছে।

মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আদালত আদালতের প্রক্রিয়া অনুসারে মামলা নথিভুক্ত করেছে এবং শীঘ্রই প্রথম শুনানি নির্ধারণ করবে। মামলার ধারায় বলা হয়েছে, যে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতারণামূলক বা মানহানিকর মন্তব্য করার ক্ষেত্রে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।

এই মামলাটি সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্ব বহন করছে। বিশেষ করে মন্ত্রীর প্রতি মানহানিকর মন্তব্য এবং গণমাধ্যমে তা ছড়িয়ে পড়ার প্রভাব বিবেচনা করে আদালত সাবধানতার সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

আইনি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানহানির মামলা দেশে রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে সতর্কতার বার্তা দেয় এবং ব্যক্তিগত সম্মান রক্ষায় কার্যকর একটি পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য হবে। মামলার ভবিষ্যত প্রক্রিয়া, শুনানি ও আদালতের আদেশের উপর দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নজর থাকবে।

এই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিতর্ক ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই মামলা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সম্মান রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর