এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে অংশ নিতে পারবেন কি না—সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপের সময় এ কথা জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। একই সাথে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের জন্য কোনো ধরনের শিক্ষাগত যোগ্যতার কড়াকড়ি বা বাধ্যবাধকতা নেই বলেও নিশ্চিত করেছেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধিমালা প্রণয়ন করা এবং প্রার্থীদের যোগ্যতা কিংবা অযোগ্যতার মানদণ্ড ঠিক করা নির্বাচন কমিশনের মূল এখতিয়ার। বিদ্যমান সরকারি আইন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রণীত নীতিমালা ও বিধিবিধান পর্যালোচনা করে নির্বাচন কমিশনই সিদ্ধান্ত নেবে যে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন নাকি পাবেন না।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, তৃণমূল পর্যায়ে গণতান্ত্রিক চর্চা ও সবার অংশগ্রহণ সুগম রাখতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের জন্য কোনো নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতার সীমা নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে যোগ্যতা সংক্রান্ত অন্য কোনো আইনি বাধা না থাকলে যেকোনো সাধারণ নাগরিক প্রার্থী হতে পারবেন।
এর আগে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। সেই আন্তর্জাতিক দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।