ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘মিথ্যা’ শব্দটি ব্যবহার নিয়ে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিতর্ক


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০২ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৭:৫২ পিএম

জাতীয় সংসদের বৃহস্পতিবারের অধিবেশনে ‘অসংসদীয়’ শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে মৃদু বিতর্ক দেখা দিয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা’ বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ করেন। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওই শব্দকে অসংসদীয় আখ্যা দিয়ে কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয় বেলা সাড়ে তিনটায়। আসরের নামাজের বিরতির আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘গতকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমার বক্তব্য নিয়ে বলেছেন যে আমি অসত্য কথা বলেছি। আমি জানলাম, আল্লাহ–তাআলা তাঁকে অপূর্ব দক্ষতা দিয়েছেন; সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য হিসেবে পরিবেশন করতে পারেন। ধন্যবাদ।’

স্পিকার মন্তব্য করেন, পয়েন্ট অব অর্ডা চলমান বিষয়ের ওপরে হওয়া উচিত, গতকালের বিষয় ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে, তাই নতুন করে তোলার প্রয়োজন নেই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাঁড়িয়ে বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা দুটি অসংসদীয় শব্দ ব্যবহার করেছেন, যার মধ্যে ‘মিথ্যা’। তিনি এটিকে কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার অনুরোধ করেন। তিনি আরও বলেন, কালকের বক্তব্যে বিরোধীদলীয় নেতা একটি অসত্য বক্তব্য উত্থাপন করেছেন, যা বিধি ৬২ অনুযায়ী।

বিরোধীদলীয় নেতা আবার বক্তব্য দেন, বিভ্রান্তি হলো একই বিষয়ে একই প্রস্তাবের দুটি উত্থাপন। একজন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রস্তাব এনেছিলেন, যা নাম পরিবর্তন করে পুনরায় এসেছে। তিনি বলেন, এতে তিনি কোনো ভুল তথ্য দেননি।

এর আগে বিরোধীদলীয় নেতা ২৯ মার্চ সংবিধান সংস্কার পরিষদের বৈঠক আহ্বান সংক্রান্ত একটি মুলতবি প্রস্তাব দেন, যা স্পিকার গ্রহণ করেন। পরদিন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালও জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত আলোচনার জন্য আরেকটি মুলতবি প্রস্তাব দেন। গতকাল সরকারি দলের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনার জন্য সংসদে মুলতবি প্রস্তাব তোলেন।

বিরোধীদলীয় নেতার প্রস্তাবে কোনো সিদ্ধান্ত না আসা এবং নতুন প্রস্তাব তোলার প্রতিবাদে তারা বুধবার সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘মিথ্যা’ শব্দের ব্যবহার নিয়ে কার্যবিবরণীতে সংশোধন চাইলেও স্পিকার এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেননি। সংসদের নিয়ম অনুযায়ী ‘মিথ্যা’ শব্দের বদলে ‘অসত্য’ ব্যবহার করা হয়। অতীতে স্পিকার একাধিকবার এ বিষয়ে রুলিং দিয়েছেন।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর