ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পরবর্তী মন্ত্রিসভার বৈঠকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী


  • আপলোড সময় : রবিবার ০৫ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৩:৩৬ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানিসংকটের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত হবে পরবর্তী মন্ত্রিসভার বৈঠকে। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার পর মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি জানান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ সম্মেলন করবে এবং এর মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর কিছু মন্তব্য থাকবে না।

সাধারণত সাপ্তাহিক মন্ত্রিসভার বৈঠক বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়। এ হিসেবে পরবর্তী বৈঠক ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও অনলাইন-মিশ্র পদ্ধতিতে ক্লাস পরিচালনার প্রস্তাব নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা শেষে পরবর্তী মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রস্তাব জমা দেওয়া হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আলাদা নির্দেশনা দেবে। তবে শিক্ষা কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, তা বিবেচনায় রাখা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় আপাতত সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। এতে জোড়-বিজোড় ভিত্তিতে তিন দিন অনলাইন এবং তিন দিন সশরীর ক্লাস নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। অনলাইনে ক্লাস হলেও শিক্ষকেরা সশরীর উপস্থিত থেকে পাঠদান করবেন। ব্যবহারিক ক্লাস সব সময় সশরীর হবে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনলাইনে পাঠদান কার্যকর করা কঠিন হতে পারে বলে মনে করছেন শিক্ষকরা। ঢাকার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন, শ্রমজীবী ও দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের অনলাইনে অন্তর্ভুক্ত করা অসম্ভব। করোনা পরিস্থিতিতে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার সময় অধিকাংশ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করতে পারেনি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্রও জানিয়েছেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকল শিক্ষার্থীকে অনলাইনে অন্তর্ভুক্ত করা কঠিন। এজন্য বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজে বের করা হবে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মন্ত্রিপরিষদ থেকে জানানো হবে।

এ বছরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২৯ মার্চ খুলেছে। পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতরসহ প্রায় ৪০ দিনের ছুটির পর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও জ্বালানিসংকটের প্রভাবে দেশীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আংশিক অনলাইন পাঠদান কার্যক্রমের বিষয়টি সামনে এসেছে।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “আমরা অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে কার্যকর সিদ্ধান্ত নেব। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ব্যাহত হতে দেওয়া যাবে না।” শিক্ষা মন্ত্রণালয় যথাযথ পরিকল্পনা করে শিক্ষার মান বজায় রেখে বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর