ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬,  ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১০ কিমি যানজট শিক্ষা বোর্ডভিত্তিক এইচএসসি ফল: পাসের হারে বড় ব্যবধান হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করল সরকার বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আবারও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ বিরোধীদলের লং মার্চের কোনো যৌক্তিকতা নেই: রুহুল কবির রিজভী মিরপুর টেস্টে চার দিনেই বাংলাদেশের বড় হার, ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় ৮ উইকেটে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ হত্যা: দীপ ৪ দিনের রিমান্ডে সৌদিতে আগুনে নিহত ৭ বাংলাদেশির লাশ দেশে পৌঁছেছে ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১.৪৪%, সামান্য কমলো সাফল্য ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

পরবর্তী মন্ত্রিসভার বৈঠকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী


  • আপলোড সময় : রবিবার ০৫ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৩:৩৬ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানিসংকটের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত হবে পরবর্তী মন্ত্রিসভার বৈঠকে। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার পর মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি জানান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ সম্মেলন করবে এবং এর মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর কিছু মন্তব্য থাকবে না।

সাধারণত সাপ্তাহিক মন্ত্রিসভার বৈঠক বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়। এ হিসেবে পরবর্তী বৈঠক ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও অনলাইন-মিশ্র পদ্ধতিতে ক্লাস পরিচালনার প্রস্তাব নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা শেষে পরবর্তী মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রস্তাব জমা দেওয়া হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আলাদা নির্দেশনা দেবে। তবে শিক্ষা কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, তা বিবেচনায় রাখা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় আপাতত সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। এতে জোড়-বিজোড় ভিত্তিতে তিন দিন অনলাইন এবং তিন দিন সশরীর ক্লাস নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। অনলাইনে ক্লাস হলেও শিক্ষকেরা সশরীর উপস্থিত থেকে পাঠদান করবেন। ব্যবহারিক ক্লাস সব সময় সশরীর হবে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনলাইনে পাঠদান কার্যকর করা কঠিন হতে পারে বলে মনে করছেন শিক্ষকরা। ঢাকার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন, শ্রমজীবী ও দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের অনলাইনে অন্তর্ভুক্ত করা অসম্ভব। করোনা পরিস্থিতিতে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার সময় অধিকাংশ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করতে পারেনি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্রও জানিয়েছেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকল শিক্ষার্থীকে অনলাইনে অন্তর্ভুক্ত করা কঠিন। এজন্য বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজে বের করা হবে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মন্ত্রিপরিষদ থেকে জানানো হবে।

এ বছরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২৯ মার্চ খুলেছে। পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতরসহ প্রায় ৪০ দিনের ছুটির পর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও জ্বালানিসংকটের প্রভাবে দেশীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আংশিক অনলাইন পাঠদান কার্যক্রমের বিষয়টি সামনে এসেছে।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “আমরা অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে কার্যকর সিদ্ধান্ত নেব। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ব্যাহত হতে দেওয়া যাবে না।” শিক্ষা মন্ত্রণালয় যথাযথ পরিকল্পনা করে শিক্ষার মান বজায় রেখে বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর