ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শিক্ষায় বরাদ্দ বাড়ছে, ৪৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত : প্রধানমন্ত্রী


  • আপলোড সময় : বুধবার ০৮ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৪:১২ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, শিক্ষা খাতে ৪৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের সব উপজেলায় পর্যায়ক্রমে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ এবং সব জেলায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্য সেলিম রেজার এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই তথ্য জানিয়েছেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বরাদ্দ বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার শিক্ষাকে জাতির শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করে। তিনি বলেন, “আমরা একটি গুণগত, জীবনমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ৪৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য চলতি অর্থবছরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই লক্ষ শিক্ষার্থীর মধ্যে বিনা মূল্যে স্কুলড্রেস বিতরণ করা হবে। সব উপজেলায় পর্যায়ক্রমে এই কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টির চাহিদা পূরণের জন্য পর্যায়ক্রমে সব উপজেলায় স্কুল ফিডিং/মিড-ডে মিল চালুরও পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নতুন প্রজন্মকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার উপযোগী করতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন করা হবে। ডিজিটাল বৈষম্য কমাতে দেড় হাজার প্রতিষ্ঠান (মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়) ফ্রি ওয়াই-ফাই সংযোগ এবং প্রতিটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের জন্য অনন্য ডিজিটাল পরিচয় বা ‘এডু-আইডি’ প্রদান করা হবে।”

তিনি উল্লেখ করেন, মাধ্যমিক পর্যায়ে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার জন্য দেশের সব উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ এবং সব জেলায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আধুনিকায়ন, ফ্রি ওয়াই-ফাই সংযোগ এবং স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপনসহ শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

আইসিটি বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) আগামী ছয় মাসের মধ্যে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, সাইবার সিকিউরিটি, মোবাইল অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট ও ডিজাইন ইউজিং ফ্লাটার, পাইথন প্রোগ্রামিং এবং এআই–বেজড ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার নারী শিক্ষার প্রসার, নারীর ক্ষমতায়ন এবং শিক্ষার সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণের বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে দেশের সব উপজেলা সদরে একটি করে মহিলা কলেজ সরকারীকরণের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

আকাশজমিন / আরআর    


এ সম্পর্কিত আরো খবর