ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সারাদেশে হামের টিকাদান শুরু ২০ এপ্রিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী


  • আপলোড সময় : বুধবার ০৮ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৪:০৮ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে অধিবেশনে তিনি বিষয়টি প্রকাশ করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা পূর্বে ঘোষণা দিয়েছিলাম, আগামী ৩ মে থেকে সারাদেশে টিকা দেওয়া হবে। তবে ইউনিসেফ থেকে প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন সময়মতো সংগ্রহ করতে পারায় আমরা এই কর্মসূচি ১৪ দিন এগিয়ে নিয়ে এসেছি। এর ফলে দেশের শিশুরা দ্রুত হামের প্রতিরোধক টিকা পাবে।”

তিনি আরও বলেন, “সরকারের স্বাস্থ্যের অগ্রাধিকার এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষায় হামের টিকাদান একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। টিকা কর্মসূচি স্বাস্থ্য বিভাগের সকল জেলা ও উপজেলায় একযোগে কার্যকর হবে।”

মো. সাখাওয়াত হোসেন জাতীয় সংসদে জানান, “হাম একটি সংক্রামক রোগ যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সময়মতো টিকাদান না হলে শিশুদের জীবন বিপন্ন হতে পারে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, দেশের সকল শিশুদের এই রোগ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করা।”

স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, “সরকার টিকাদান কার্যক্রমকে সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন, প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে। প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং বেসরকারি সহযোগী কেন্দ্রগুলোতে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে।”

তিনি আরও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ এবং পূর্ব ভারতে হামের সম্প্রতি প্রকোপ লক্ষ্য করা গেছে। বাংলাদেশেও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের সময়মতো টিকাদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কর্মসূচি শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং জনস্বাস্থ্যকে সুদৃঢ় করবে।”

মন্ত্রী বলেন, “টিকাদান কার্যক্রমের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য স্থানীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে প্রচার অভিযান চালানো হবে। অভিভাবকরা তাদের শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করার জন্য স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা করবেন।”

এছাড়া তিনি বলেন, “এই কর্মসূচি দেশের স্বাস্থ্য খাতের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ। প্রতিটি জেলা এবং উপজেলার শিশুদের নিরাপদ রাখতে সরকার সর্বোচ্চ মনোযোগ দিচ্ছে। শিশুদের সুস্থতা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা আমাদের মূল লক্ষ্য।”

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের এই ঘোষণার ফলে দেশের শিশু এবং অভিভাবকরা আশা করছেন, হামের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ হবে এবং সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

আকাশজমিন / আরআর    


এ সম্পর্কিত আরো খবর