ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


  • আপলোড সময় : শনিবার ১১ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৩:৪৩ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, যুদ্ধবিরতি হলেও বৈশ্বিক জ্বালানিসংকট পুরোপুরি শেষ হবে না। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে যে জ্বালানির অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা মোকাবেলায় ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) নবম ভারত মহাসাগরীয় কনফারেন্সে (আইওসি) বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল বর্তমানে একটি উত্তাল সময় অতিক্রম করছে, যেখানে জ্বালানিসংকট দেশগুলোর অর্থনীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই সংকটকালে আঞ্চলিক দেশগুলোর উচিত কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করা, একে অপরের প্রয়োজন বোঝা এবং সম্মিলিত সম্পদকে সর্বোচ্চভাবে ব্যবহার করা।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তার পুরো কাঠামোই এখন নতুন করে পর্যালোচনার দাবি রাখে। দীর্ঘদিনের প্রচলিত অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ধারণা পরিবর্তিত হচ্ছে। এ অবস্থায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে সামাজিক ও পরিবেশগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ মানুষদের সুরক্ষা, উন্নয়নমূলক অর্জন রক্ষা এবং সংকট মোকাবেলার কৌশল নতুন করে ভাবতে হবে।

সম্মেলনে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এসএমই ও এমএসএমই) সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘সুপার সোর্সিং হাব’ গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছেন, যার লক্ষ্য হলো বাংলাদেশকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত করা।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে জেলা ও উপকূলীয় অঞ্চলের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের শক্তিশালী করা সম্ভব হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এতে স্থানীয় উদ্ভাবনকে বৈশ্বিক চাহিদার সঙ্গে সংযুক্ত করা যাবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির জন্য ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তরুণ ও উদ্যোক্তাদের সম্ভাবনাকে আরও বিস্তৃত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতকে উদ্ভাবনের নেতৃত্বে আনতে হলে নীতিগত সহায়তা ও আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা জরুরি।

বক্তব্যের শেষাংশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা ও সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে দীর্ঘদিনের বিদ্যমান সহযোগিতামূলক কাঠামো পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।



এ সম্পর্কিত আরো খবর