ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু


হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

  • আপলোড সময় : শনিবার ০২ মে, ২০২৬ সময় : ৪:৩৬ পিএম

দেশজুড়ে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে বহু শিশুর শরীরে হামের লক্ষণ ও সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ায় জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

শনিবার (০২ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর-এর হাম সংক্রান্ত নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকাতেই চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত হামের উপসর্গে মোট ২৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি একই সময়ে সারাদেশে হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে করে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে নতুন করে ৭২ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ১ হাজার ২৪ জন শিশুর মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। চিকিৎসকরা বলছেন, উপসর্গ শনাক্ত হওয়া রোগীদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা জরুরি, না হলে জটিলতা বাড়তে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত মোট ৩৯ হাজার ৩২৫ জন শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। একই সময়ে মোট ৫ হাজার ২১৮ জন শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে, যা পরিস্থিতির গুরুত্ব তুলে ধরছে।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, একই সময়ে সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২৬ হাজার ৯১১ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ২৩ হাজার ২২৫ জন শিশু। এতে বোঝা যায়, যথাযথ চিকিৎসা পেলে অনেকেই সুস্থ হয়ে উঠছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের সংক্রমণ প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতনতা বাড়ানো এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

তারা আরও বলেন, হামের মতো সংক্রামক রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে, বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং নিয়মিত টিকা গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সারাদেশে নজরদারি বাড়িয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া এ ধরনের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর