ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১২ শিশুর মৃত্যু


  • আপলোড সময় : শুক্রবার ১৫ মে, ২০২৬ সময় : ৬:২৮ পিএম

দেশে হামের প্রকোপ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চার শিশুর শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হাম শনাক্ত হয়েছিল। বাকি আট শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেলেও তাদের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়নি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ১৯২ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। একই সময়ে ১১১ শিশুর শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়ে মারা যাওয়া চার শিশুর মধ্যে দুজন ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা। এছাড়া একজন চট্টগ্রাম বিভাগ এবং একজন বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা। অন্যদিকে, হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া আট শিশুর মধ্যে তিনজন ঢাকা বিভাগের, তিনজন চট্টগ্রাম বিভাগের এবং একজন করে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের।

চিকিৎসকদের মতে, শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে যেসব শিশু নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আসেনি, তাদের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। এছাড়া অপুষ্টি ও দুর্বল রোগ প্রতিরোধক্ষমতাও শিশুদের জটিল অবস্থায় নিয়ে যাচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত ৩৭৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে আরও ৭৪ শিশু। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত মোট ৪৫১ শিশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৫৫ হাজার ৬১১ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে ৪০ হাজার ১৭৬ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৩৬ হাজার ৫৫ শিশু। বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে আক্রান্ত শিশুরা চিকিৎসাধীন রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি সময়ে মোট ৭ হাজার ৪১৬ শিশুর শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে শিশু রোগীদের চাপও বাড়ছে। বিশেষ করে রাজধানীসহ বিভাগীয় শহরগুলোর শিশু হাসপাতাল ও বিশেষায়িত ইউনিটগুলোতে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে খুব সহজেই অন্য শিশুদের মধ্যে এটি ছড়িয়ে পড়ে। তাই শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা, আক্রান্ত শিশুকে আলাদা রাখা এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অভিভাবকদের শিশুদের প্রতি বাড়তি নজর রাখার আহ্বান জানিয়েছে। জ্বর, শরীরে লালচে দানা, কাশি, চোখ লাল হওয়া বা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় শিশুদের আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।দেশে হামের প্রকোপ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চার শিশুর শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হাম শনাক্ত হয়েছিল। বাকি আট শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেলেও তাদের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়নি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ১৯২ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। একই সময়ে ১১১ শিশুর শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়ে মারা যাওয়া চার শিশুর মধ্যে দুজন ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা। এছাড়া একজন চট্টগ্রাম বিভাগ এবং একজন বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা। অন্যদিকে, হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া আট শিশুর মধ্যে তিনজন ঢাকা বিভাগের, তিনজন চট্টগ্রাম বিভাগের এবং একজন করে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের।

চিকিৎসকদের মতে, শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে যেসব শিশু নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আসেনি, তাদের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। এছাড়া অপুষ্টি ও দুর্বল রোগ প্রতিরোধক্ষমতাও শিশুদের জটিল অবস্থায় নিয়ে যাচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত ৩৭৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে আরও ৭৪ শিশু। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত মোট ৪৫১ শিশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৫৫ হাজার ৬১১ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে ৪০ হাজার ১৭৬ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৩৬ হাজার ৫৫ শিশু। বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে আক্রান্ত শিশুরা চিকিৎসাধীন রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি সময়ে মোট ৭ হাজার ৪১৬ শিশুর শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে শিশু রোগীদের চাপও বাড়ছে। বিশেষ করে রাজধানীসহ বিভাগীয় শহরগুলোর শিশু হাসপাতাল ও বিশেষায়িত ইউনিটগুলোতে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে খুব সহজেই অন্য শিশুদের মধ্যে এটি ছড়িয়ে পড়ে। তাই শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা, আক্রান্ত শিশুকে আলাদা রাখা এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অভিভাবকদের শিশুদের প্রতি বাড়তি নজর রাখার আহ্বান জানিয়েছে। জ্বর, শরীরে লালচে দানা, কাশি, চোখ লাল হওয়া বা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় শিশুদের আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আকাশজমিন / আরআর


এ সম্পর্কিত আরো খবর