ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা, আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয় মামলা ফ্যাসিস্টরা স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান সফরে নতুন ৪টি সমঝোতা স্মারক সই পাশাপাশি চার কবরে চিরনিদ্রায় একই পরিবারের চার সদস্য স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬

মহাস্থান মসজিদের উন্নয়ন দাবিতে প্রত্নতত্ত্ব অফিস ঘেরাও


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ২৩ জুন, ২০২৬ সময় : ৮:২০ পিএম

শিবগঞ্জ-মোকামতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি:

বগুড়ার ঐতিহাসিক মহাস্থান মাজার মসজিদের উন্নয়ন কাজ দ্রুত ও নির্বিঘ্নে বাস্তবায়নের দাবিতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অফিস ঘেরাও করে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও উন্নয়নকামী সাধারণ মানুষ।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থানে অবস্থিত প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাস্থান যাদুঘরের কাস্টোডিয়ানের কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় আন্দোলনকারীরা মূল ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

বিক্ষোভকারীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে অংশ নেন। ব্যানারে “ঐতিহাসিক মহাস্থান মাজার মসজিদের উন্নয়ন কাজ নির্বিঘ্নে বাস্তবায়নের দাবিতে প্রত্নতত্ত্ব অফিস ঘেরাও ও স্মারকলিপি প্রদান” লেখা ছিল। পাশাপাশি প্ল্যাকার্ডে “মহাস্থান মাজার মসজিদের উন্নয়ন বন্ধের ষড়যন্ত্রকারীদের শাস্তি চাই” এবং “আমার টাকায় আমার উন্নয়ন বাধা দিচ্ছে কে”—এমন স্লোগান দেখা যায়।

পরে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য দেন শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম তাজুল ইসলাম, মহাস্থান মাজার মসজিদ কমিটির যুগ্ম সম্পাদক তাহেরুল ইসলাম, মহাস্থান ফাজিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল আবু বক্কর সিদ্দিক এবং মহাস্থান মাজার মসজিদের খতিব মাওলানা এমদাদুল হকসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, মহাস্থান মাজার মসজিদ শুধু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা। স্থানীয়দের অনুদান ও অর্থায়নে মসজিদের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হলেও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কিছু সিদ্ধান্ত ও বাধার কারণে উন্নয়ন কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

তারা আরও বলেন, উন্নয়ন কার্যক্রমে যেকোনো ধরনের জটিলতা ও বাধা দ্রুত দূর করতে হবে, অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

সমাবেশ শেষে মুসল্লি ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের একটি প্রতিনিধি দল প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কাস্টোডিয়ান রাজিয়া সুলতানার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর