ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

খালের পানি প্রবাহ ফিরাতে দাকোপে মৎস্য বিভাগের অভিযান


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ২১ জুলাই, ২০২৬ সময় : ৬:১০ পিএম

খুলনা প্রতিনিধি:

খুলনার দাকোপ উপজেলায় খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ফিরিয়ে আনা এবং অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে খালে দেওয়া তিনটি স্থায়ী চরপাটা বাঁধ ধ্বংস এবং ক্ষতিকর চার খণ্ড ‘ব্লু নেট’ জব্দ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার পানখালী হাটখোলা এলাকার ‘ওরা তোলার খালে’ উপজেলা মৎস্য অফিসের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন ১৯৫০-এর আওতায় পরিচালিত অভিযানে প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ খালটিতে অবৈধভাবে স্থাপন করা বিভিন্ন ধরনের মাছ ধরার প্রতিবন্ধকতা অপসারণ করা হয়। এ সময় খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত করা তিনটি স্থায়ী চরপাটা ধ্বংস করা হয় এবং মাছের বংশবিস্তার ও জলজ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর চার খণ্ড ব্লু নেট জব্দ করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ বোরহান উদ্দিন মিঠু এবং সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পানখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাব্বির আহম্মেদ, স্থানীয় ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম, ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান (মোস্তাক), দাকোপ থানা পুলিশের এসআই ঝন্টু কুমার বাসকের নেতৃত্বে একটি পুলিশ টিম এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, অভিযানের মাধ্যমে প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ খালটি অবৈধ বাঁধমুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। জব্দ করা ব্লু নেট ও ধ্বংস করা চরপাটাগুলো স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে অপসারণ করা হয়।

তিনি আরও জানান, খালের স্বাভাবিক পরিবেশ ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় নিয়মিত নজরদারি করা হবে। ভবিষ্যতে কেউ যাতে পুনরায় খালে অবৈধ বাঁধ বা ক্ষতিকর জাল স্থাপন করতে না পারে, সে জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তদারকি অব্যাহত রাখা হবে।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উন্মুক্ত জলাশয়ে অবৈধভাবে স্থায়ী পাটা বসানো এবং ক্ষতিকর জাল ব্যবহার করে মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।

প্রশাসন আরও জানিয়েছে, জলাশয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ রক্ষা, দেশীয় মাছের প্রজনন নিশ্চিত এবং সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য খাল উন্মুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর