ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা, আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয় মামলা ফ্যাসিস্টরা স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান সফরে নতুন ৪টি সমঝোতা স্মারক সই পাশাপাশি চার কবরে চিরনিদ্রায় একই পরিবারের চার সদস্য স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬

জামালখান এলাকায় চরম উত্তেজনা

চট্টগ্রামে বিএনপি ও এনসিপির মুখোমুখি অবস্থান


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৯ জুলাই, ২০২৬ সময় : ৬:২২ পিএম

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের জামালখান প্রেসক্লাব এলাকায় বিএনপি ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা-কর্মীরা একে অপরের মুখোমুখি অবস্থান গ্রহণ করেছেন। দুই রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের এই সমান্তরাল অবস্থান ও স্লোগান-পাল্টা স্লোগানকে কেন্দ্র করে পুরো প্রেসক্লাব ও সংলগ্ন এলাকায় তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ ও থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

আজ বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল চারটার দিকে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে এই দুই দলের নেতা-কর্মীরা নিজ নিজ অবস্থান জোরদার করেন। অপ্রীতিকর ঘটনা ও যেকোনো ধরনের বড় সংঘর্ষ এড়াতে এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের সংঘাত প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছেন।

ঘটনার পটভূমি থেকে জানা যায়, সম্প্রতি হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাকর্মী ও গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলার তীব্র প্রতিবাদ ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে চট্টগ্রাম নগরের জামালখান এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করে চট্টগ্রাম নগর এনসিপি। ঘোষিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে বিকেল থেকেই জামালখান এলাকায় এনসিপির নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন।

পরবর্তীতে এনসিপির এই সমাবেশের স্থান সংলগ্ন এলাকায় বিএনপির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী এসে পাল্টা অবস্থান গ্রহণ করেন। একই স্থানে দুই পক্ষের উপস্থিতি ঘটে যাওয়ার পর উভয় দলের নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র বাকবিতণ্ডা, তর্কাতর্কি ও চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পুলিশি মধ্যস্থতা ও সতর্ক অবস্থানের কারণে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো সরাসরি সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়নি।

ঘটনা প্রসঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীদের অভিযোগ, হবিগঞ্জে তাঁদের শান্তিপূর্ণ নেতাকর্মী ও কেন্দ্রীয় নেতাদের ওপর যে বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়েছে, গণতান্ত্রিক অধিকার হিসেবে তার প্রতিবাদ জানাতেই তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছিলেন। সেখানে বিএনপির নেতাকর্মীরা অহেতুক বাধা দিতে ও উসকানিমূলক অবস্থান নিতে এসেছেন।

অন্যদিকে প্রতিপক্ষ বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, অন্য রাজনৈতিক দলের ব্যানারে দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক ও কটূক্তিকর বক্তব্য দেওয়া হচ্ছিল। সেই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাতে এবং তা প্রতিহত করতেই তাঁরা প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।

সমগ্র পরিস্থিতি নিয়ে নগরের কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর জানান, দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুটি দলের মাঝামাঝি স্থানে অবস্থান নিয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত ও পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর