দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের মোট সাতটি বিশেষ ভৌগোলিক অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবল বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৪৫ থেকে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে তীব্র দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার তীব্র আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এসব অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোকে অবিলম্বে ১ নম্বর সতর্কসংকেত বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অফিসের সর্বশেষ প্রকাশিত বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত বিভিন্ন নদীবন্দরের জন্য এই সতর্কবার্তা কার্যকর রাখা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তির বিশদ বিবরণে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, মূলত খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের সীমান্ত ও ভৌগোলিক সীমানার ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে হঠাৎ বৃষ্টি অথবা তীব্র বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ী দমকা ও ঝোড়ো হাওয়া তীব্র বেগে ধেয়ে আসতে পারে। উদ্ভূত এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং নৌযানগুলোকে সাবধানে চলাচলের সুবিধার্থে ১ নম্বর সতর্কসংকেত উড়িয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
একই সাথে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত সারাদেশের সম্ভাব্য সার্বিক আবহাওয়ার পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে তীব্র দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবল সম্ভাবনা বিদ্যমান রয়েছে। সেই সঙ্গে ভৌগোলিক অবস্থানভেদে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ সংঘটিত হতে পারে। তবে এই বৃষ্টিপাতের মধ্যেও সারা দেশে দিন ও রাতের সার্বিক তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।