ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী তিন নিরাপত্তারক্ষীসহ অপহৃত কালাতের রাজপুত্র শাহজাদা আহমেদজাই 'আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স' শব্দ নিষিদ্ধের ঘোষণা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নারী পরীক্ষকের সামনে পুরুষরা কম ব্যথা অনুভব করেন: নতুন গবেষণা উইন্ডিজের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নেই মুশফিক! কাঁদুনে গ্যাসে ফরাসি বিক্ষোভকারীর মৃত্যু, পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অধ্যায় শেষ, দাবি বিরোধী নেতা আইজেনকোটের ফেনারবাখচেকে হারিয়ে ইউরোলিগে ভ্যালেন্সিয়ার দুর্দান্ত জয়

বাধা আসলেও আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই: নাহিদ ইসলাম


  • আপলোড সময় : শনিবার ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৯:৫৩ এএম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট ঘোষণা দিয়ে বলেছেন যে, পথিমধ্যে যত বাধা-বিপত্তিই আসুক না কেন, তাদের এই লং মার্চ কর্মসূচি চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই।

 

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের বিশাল উদ্বোধনী সমাবেশে বক্তব্য রাখার সময় তিনি এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

 

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করিয়ে দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ 'লং মার্চ টু ঢাকা' কর্মসূচিতে একতাবদ্ধ হয়ে ঢাকায় একত্রিত হয়েছিল এবং এর মাধ্যমেই স্বৈরাচারের পতন ঘটেছিল। তিনি উল্লেখ করেন, এবার সেই চেতনা নিয়েই তারা ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম এবং পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিভাগের উদ্দেশে লং মার্চের নতুন যাত্রা শুরু করেছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে যারা স্বৈরাচার হয়ে ওঠার পাঁতারা করছে, মূলত তাদের সেই স্বৈরাচার হওয়ার পথ চিরতরে বন্ধ করে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই লং মার্চ আয়োজন করা হয়েছে।

 

দেশের অভ্যন্তরীণ নৈরাজ্য ও সিন্ডিকেটের কঠোর সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, এই লং মার্চ কেবল একটি রাজনৈতিক দলীয় কর্মসূচি নয়; এটি মূলত চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও মাদকের ভয়াল থাবার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের এক লং মার্চ। একই সঙ্গে যারা বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাসের সিন্ডিকেট তৈরি করে কৃত্রিম উপায়ে দাম বাড়ানোর চক্রান্তে মেতে আছে এবং যারা দেশের ৭০ শতাংশ জনগণের দেওয়া স্পষ্ট গণরায়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা ও প্রতারণা করেছে, তাদের বিরুদ্ধেও এই লং মার্চ সোচ্চার ভূমিকা পালন করবে।

 

দেশের সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে এই আন্দোলনে সামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, রাজনৈতিক পরিচয় ভুলে সর্বস্তরের জনগণকে দলে দলে এসে এই লং মার্চে অংশ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। কারণ এই কর্মসূচি কোনো নির্দিষ্ট ১১টি রাজনৈতিক দলের একক লং মার্চ নয়, বরং এটি বাংলাদেশের সামগ্রিক আপামর গণমানুষের মুক্তির লং মার্চ।

 

সমাবেশের শেষভাগে নাহিদ ইসলাম সরকারকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন যে, তাদের এই লং মার্চ সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ উপায়ে পরিচালিত হবে। তবে সরকার যদি এর মাঝে অন্যায়ভাবে বাধা দেওয়ার কোনো অপচেষ্টা চালায়, তবে আন্দোলনকারীদের ঘোষিত ছয় দফা দাবি তাৎক্ষণিকভাবে এক দফার সরকার পতন আন্দোলনে রূপান্তরিত করা হবে।

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর