ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২ কমলা হ্যারিসের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশের চেষ্টা, পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার রাজধানীতে সকালের বৃষ্টিতে সড়কে ভোগান্তি, ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস

৯ দিন পর দুই শ্রমিক উদ্ধার

নেপালের সেই সুড়ঙ্গে আর কেউ বেঁচে নেই: কাদায় চাপা পড়েছে


  • আপলোড সময় : শনিবার ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ১২:৫২ পিএম

নেপালের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ত্রিশূলী - জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আর কোনো জীবিত উদ্ধার পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে নিশ্চিত করেছেন উদ্ধারকারীরা। সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধান শেষে তল্লাশি অভিযান আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

 

নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (এপিএফ) সাত সদস্যের এক বিশেষ দল সেনাসদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ টিম সুড়ঙ্গের ভেতরে প্রবেশ করে। এই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন হেড কনস্টেবল পবন বাহাদুর তামাং। উদ্ধারকারী দলের সদস্য অম্বর মাহাত সুড়ঙ্গ থেকে বেরিয়ে এসে ডেন, ‘প্রকল্পের প্রায় প্রতিটি অংশ কাদা, মাটি এবং বিশালাকার পাথরের স্তূপে চাপা পড়েছে। পানির প্রচণ্ড চাপে সুড়ঙ্গের ওপরের স্ল্যাবও ধসে পড়েছে। ভেতরে প্রবেশ করে কেবল থকথকে কাদা ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যায়নি।

 

এর আগে গত ২৬ আগস্ট সকালে ভোটেকোশী ত্রিশূলী নদীতে আকস্মিক হড়পা বানের ঘটনা ঘটে। ওই সময় পাহাড়ের ভেতরে নির্মাণাধীন অন্তত ৬টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে কাজ করছিলেন বহু শ্রমিক। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, কেবল সুড়ঙ্গগুলোতেই প্রায় ৯০০ শ্রমিক নিখোঁজ হন। এরপর থেকে সেনা পুলিশ বাহিনীর যৌথ পরিচালনায় ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়।

 

দীর্ঘ দিন পর গত শুক্রবার ত্রিশূলীর সুড়ঙ্গ থেকে অলৌকিকভাবে সঞ্জয় শাহ এবং কবীর মহারাজন নামের দুই শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়। সেখান থেকে এক শ্রমিকের মরদেহও উদ্ধার করা হয়। তাঁদের উদ্ধারের সময় ভেতরের দিক থেকে অন্যান্য শ্রমিকের কণ্ঠস্বর ভেসে আসার কথা বলা হলেও, পরবর্তী অনুসন্ধানে কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

 

আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাসেবা দিতে সঞ্জয় কবীরকে আকাশপথে কাঠমান্ডুতে স্থানান্তর করা হয়েছে। সুড়ঙ্গে আটকে থাকার দিনগুলোর বর্ণনা দিয়ে সঞ্জয় জানান, বান আসছে দেখে সহকর্মীদের বের করার চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি আটকে যান। টানা দিন সৃষ্টিকর্তার ওপর ভরসা রেখেই সুড়ঙ্গের ভেতরে অন্ধকার কাদামাটির মধ্যে প্রহর গুনেছেন তারা।

 

শুক্রবার পর্যন্ত নেপালের এই প্রলয়ংকারী হড়পা বানে অন্তত হাজার ২৮৭টি মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনো প্রায় হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

(তথ্যসূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট)

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর