ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হত্যা মামলায় ৩ জনের ফাঁসি, ৪ জনের যাবজ্জীবন


সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক

  • আপলোড সময় : সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৪:৩৫ পিএম

টাঙ্গাইল  প্রতিনিধি 

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ফয়সাল আল মামুন এ বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেকের এক লাখ টাকা এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে, যা অনাদায়ে অতিরিক্ত এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়। তবে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সঞ্জিত ঘোষ নামে এক আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।


মামলার নথি ও পাবলিক প্রোসিকিউটর (পিপি) মো. সাইদুল রহমান স্বপনের বক্তব্য সূত্রে জানা যায়, সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুর এলাকায় ভাড়া বাসায় সপরিবারে বসবাস করতেন। ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর ভোর সাড়ে ৬টার দিকে তিনি প্রাতঃভ্রমণে বের হলে আকুরটাকুরপাড়া বটতলা বাজার এলাকায় একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাঁকে অতর্কিত গুলি ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে পালিয়ে যায়। ওই ঘটনার পরদিন নিহতের ছোট ভাই লাভলু মিয়া বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।


হত্যাকাণ্ডে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা, কাগমারা এলাকার মো. আজাদ এবং শ্রীফলিয়াটা গ্রামের মো. শাহজাহান মিয়া। অন্যদিকে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি হলেন—মো. সুজন, মো. সানোয়ার হোসেন, মো. শফিকুল ইসলাম শফিক ও রুজবেল ইমন।


তদন্তপ্রক্রিয়ায় প্রথমে ২০১৫ সালের ১৩ আগস্ট তৎকালীন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অশোক কুমার সিংহ আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রথম অভিযোগপত্র জমা দেন। তবে চার্জশিটের বিরুদ্ধে বাদী লাভলু মিয়া নারাজি আবেদন জানালে আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্তভার পায় সিআইডি। পরবর্তীতে দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ২৯ এপ্রিল টাঙ্গাইল সিআইডির পরিদর্শক রফিক উদ্দিন আহম্মেদ পূর্বের ওই আটজন আসামির বিরুদ্ধে নতুন করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পর্যাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে দীর্ঘ ১৩ বছর পর আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের বিচারিক কাজ সম্পন্ন হলো।


এ সম্পর্কিত আরো খবর