ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬ দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৯৮২ জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪

নিয়োগপত্রের দাবিতে শাহবাগে প্রাথমিকের চাকরিপ্রত্যাশীরা


  • আপলোড সময় : রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৪:৪০ পিএম

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়ার অভিযোগে রাজধানীর শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেছেন একদল চাকরিপ্রত্যাশী। আজ রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার পর থেকে রাজধানীর ব্যস্ততম শাহবাগ থানার সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে তারা এই তীব্র প্রতিবাদ জানান। এর আগে সকালের দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি চত্বরে সমবেত হন বিক্ষুব্ধ প্রার্থীরা। সেখান থেকে একটি সুশৃঙ্খল বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে তারা সরাসরি শাহবাগ মোড়ে এসে অবস্থান নেন।


‘সারা বাংলাদেশের নিয়োগপত্র বঞ্চিত শিক্ষকবৃন্দ’ শীর্ষক একটি নতুন প্ল্যাটফর্মের ব্যানারে এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়। এর আগে গতকাল শনিবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক রাজু ভাস্কর্য চত্বর থেকে আজকের এই বিক্ষোভ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। আন্দোলনকারীদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ ব্যাচে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে মোট ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে পুলিশি ও প্রশাসনিক যাচাই-বাছাই বা ভেরিফিকেশনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর প্রায় দুই হাজার থেকে আড়াই হাজারের অধিক প্রার্থীকে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই নিয়োগপত্র দেওয়া থেকে বিরত রাখা হয়।


বিক্ষোভকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, চূড়ান্ত তালিকায় সুপারিশ পাওয়ার পর দীর্ঘ প্রায় আট মাস ধরে তারা বেকারত্বের অভিশাপ নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। অথচ তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধ, রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড কিংবা সনদ জালিয়াতির সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। সরকারি চাকরির বিধিমালা মেনেই সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সত্ত্বেও যোগ্য এই প্রার্থীদের কেন বঞ্চিত করা হলো, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিচ্ছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এছাড়া এই নিয়োগ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের প্রকৃত দায়িত্ব কোন দপ্তরের, তা নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং জেলা শিক্ষা অফিসগুলোর মধ্যে চরম সমন্বয়হীনতা ও দায়িত্ব এড়ানোর প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অধিদপ্তর দায় চাপাচ্ছে মন্ত্রণালয়ের ওপর, মন্ত্রণালয় নির্দেশ করছে জেলা অফিসের দিকে, আবার জেলা অফিস পুনরায় অধিদপ্তরের ওপর দায়ভার চাপিয়ে দিচ্ছে।


নতুন করে পুনরায় ভেরিফিকেশনের নামে কোনো ধরনের অযথা কালক্ষেপণ বা সময়ক্ষেপণ না করে যোগ্য প্রার্থীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিয়োগপত্র হস্তান্তর করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন প্রার্থীরা। একই সঙ্গে আজকের এই ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিয়োগপত্র প্রদান নিশ্চিত করে আগামী ১ অক্টোবর সব যোগ্য প্রার্থীকে একত্রে কর্মস্থলে যোগদানের সুযোগ দেওয়ার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে। যৌক্তিক এই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এদিকে উদ্ভূত এই সংকট নিরসনের উপায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে আলোচনার জন্য আন্দোলনকারীদের মধ্য থেকে ১০ জনের একটি প্রতিনিধি দল ইতোমধ্যে সচিবালয়ের অভিমুখে রওনা হয়েছে বলে জানা গেছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর