ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ৬৬ কেন্দ্রে বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে ধানের শীষ টোকিওতে প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, যাত্রায় বিলম্ব ঐক্য সরকার নাকি আবার নির্বাচন? ইসরায়েলের সামনে এখন ৩টি পথ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদের নতুন সভাপতি মনজুর মোরশেদ মামুন আসামি হাজিরা ডিজিটাল করতে পারলে যুগান্তকারী পরিবর্তন হবে: আইনমন্ত্রী ময়নাতদন্ত ছাড়া তাহসিফের মৃত্যু নিয়ে মন্তব্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এটি সুইসাইড নয়, পরিকল্পিত হত্যাঃ পাইলট তাহসিফের বাবার বিস্ফোরক তথ্য পুলিশ বাহিনীকে দক্ষ ও আধুনিক করতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এলপিজি সিলিন্ডারের দাম আরও ৩০০ টাকা বাড়াতে চান ব্যবসায়ীরা

কারাবন্দি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু


  • আপলোড সময় : রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৮:২৬ পিএম

কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল আমিন রুহুল সরকার (৫০) কারাবন্দি অবস্থায় অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে তিনটার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

খাইরুল আমিন রুহুল সরকার কটিয়াদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং লোহাজুরী ইউনিয়নের দশপাখি গ্রামের মৃত উসমান গণির ছেলে। গত ৭ সেপ্টেম্বর রাতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে তাঁকে গ্রেপ্তার করে কটিয়াদী মডেল থানার পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

কারাগার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে কারাগারে থাকা অবস্থায় খাইরুল আমিন হঠাৎ বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন। পরে কারা কর্তৃপক্ষ তাঁকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে তিনটার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

খাইরুলের বড় ভাই ও চর ঝাকালিয়া সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল আমীন অভিযোগ করেন, কারাবন্দি অবস্থায় তাঁর ভাই কয়েক দিন ধরে বুকে ব্যথার কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়নি। শনিবার অসুস্থ হওয়ার পর কিশোরগঞ্জের হাসপাতালে নেওয়া হলেও ঢাকায় নিতে প্রায় চার ঘণ্টা সময় লেগেছে বলে দাবি করেন তিনি।

নুরুল আমীন বলেন, ‘কারা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে খবর পেয়ে আমরা সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যাই। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু প্রায় চার ঘণ্টা পর তাঁকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সময়মতো যথাযথ চিকিৎসা পেলে হয়তো তাঁর অবস্থা এতটা সংকটাপন্ন হতো না।’ তবে কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, অসুস্থ হওয়ার পর দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।

কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার নাশির আহমেদ বলেন, ‘কারাগারে থাকা অবস্থায় তাঁর বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট শুরু হলে দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।’

খাইরুল আমিন রুহুল সরকারের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ করা হলেও এ বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য হলো, অসুস্থ হওয়ার পর তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ ও চিকিৎসাসংক্রান্ত বিষয় সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের নথি ও চিকিৎসকদের মতামত থেকে জানা যাবে।




এ সম্পর্কিত আরো খবর