ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬ দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৯৮২ জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪

তারেক রহমান ও নরেন্দ্র মোদি বসলে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব: ত্রিবেদী


  • আপলোড সময় : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৪:০১ পিএম

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার বিদ্যমান পারস্পরিক সম্পর্ক ও দ্বিপক্ষীয় চ্যালেঞ্জগুলোর সমাধানে দুই দেশের শীর্ষ নেতার বৈঠককে অত্যন্ত ফলপ্রসূ বলে উল্লেখ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে বসলে এমন কোনো অমীমাংসিত প্রশ্ন বা সমস্যা থাকবে না যার সমাধান সম্ভব নয়। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নিয়ে কোনো ধরনের তাড়াহুড়ো না করে উভয় দেশের কূটনৈতিক টিমকে প্রয়োজনীয় সময় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।


বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সচিবালয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভারতীয় হাই কমিশনার এই মন্তব্য করেন। এর আগে গত মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গেও বৈঠক করেছিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফর প্রসঙ্গে ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের পক্ষ থেকেই কাজ এগিয়ে চলছে। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নানা চ্যালেঞ্জ থাকা স্বাভাবিক, তবে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব একত্রিত হলে যেকোনো জটিলতার অবসান ঘটানো সম্ভব। তাই সফর নিয়ে অহেতুক তাড়াহুড়ো না করে সঠিক সময়ের অপেক্ষা করা উচিত।


দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যকার সাংস্কৃতিক ও সামাজিক মেলবন্ধনের ওপর জোর দিয়ে ভারতীয় হাই কমিশনার বলেন, পানি, ক্রিকেট, ফুটবল, বাণিজ্য, কবিতা, থিয়েটার থেকে শুরু করে চলচ্চিত্র ও সংগীত—সবক্ষেত্রেই জনগণের পারস্পরিক নির্ভরতা রয়েছে। যখনই দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের সাক্ষাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়, উভয় দেশের সাধারণ মানুষ দারুণভাবে উৎসাহিত হয়। এটি দুই দেশের মানুষের গভীর সম্প্রীতিরই বহিঃপ্রকাশ। তবে সংবাদকর্মীদের পক্ষ থেকে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের ঢাকা সফর সংক্রান্ত প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।


এদিকে বৈঠকে উপস্থিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান জানান, এটি মূলত হাই কমিশনারের সঙ্গে একটি সৌজন্যমূলক বৈঠক ছিল। এ সময় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহাসিক মুহূর্ত স্মরণে ভাস্কর্য বা ম্যুরালের পরিবর্তে পানির ফোয়ারা নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদকে ‘ভুলভাবে উপস্থাপিত’ বলে অভিহিত করেন মন্ত্রী।


এ সম্পর্কিত আরো খবর