জনগণের
নির্বাচিত সরকার হিসেবে স্বচ্ছতা ও পূর্ণ জবাবদিহিতা
নিশ্চিত করে দেশ ও জনগণের কল্যাণে
কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী
ড. আবদুল মঈন খান।
শুক্রবার
(২ অক্টোবর) রাজধানী ঢাকার কাকরাইলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (ডিপিএইচই) অডিটোরিয়ামে সংস্থার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
আলোচনা
সভায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন
খান বলেন, বর্তমান সরকার সবসময় গঠনমূলক সমালোচনাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত রয়েছে। সরকারি কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের ভুলত্রুটি সংঘটিত হলে তা সুনির্দিষ্টভাবে তুলে ধরলে
সরকার দ্রুত তা সংশোধনের কার্যকর
উদ্যোগ গ্রহণ করবে। তবে কোনো ধরনের ভিত্তিহীন তথ্য বা অপপ্রচারের মাধ্যমে
বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান
জানান তিনি। দেশে সুদৃঢ় গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা
বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলকে অত্যন্ত দায়িত্বশীল ও সচেতন ভূমিকা
পালনের তাগিদ দেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।
সরকার
পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রশাসনের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের প্রশাসনের প্রতিটি স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হলেন মূলত জনগণের প্রকৃত সেবক। সীমিত সম্পদের যথাযথ সদ্ব্যবহার করে পরম নিষ্ঠার সঙ্গে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে একটি উন্নত ও মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র
হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করাই সবার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সভায়
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কার্যক্রম কেবল গতানুগতিক উন্নয়ন প্রকল্পনির্ভর না রেখে মাঠপর্যায়ের
সাধারণ মানুষের বাস্তব চাহিদার ভিত্তিতে পরিচালনা করতে হবে। বিদ্যমান অবকাঠামোগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ জোরদার করা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তা সম্পদে রূপান্তর
এবং দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর পরিকল্পনার
মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানোর ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
প্রতিমন্ত্রী
আরও বলেন, মাঠপর্যায়ে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৃথক তহবিল ও প্রয়োজনীয় আর্থিক
বরাদ্দ থাকা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে দেশের বড় শহরগুলোতে বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন এবং ছোট পৌরসভা ও উপজেলা পর্যায়ে
সাশ্রয়ী খরচে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। নদী ও পুকুরের পানি
বৈজ্ঞানিক উপায়ে পরিশোধন করে নিরাপদ পানি সরবরাহ বাড়ানোর মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার হ্রাসের ওপর জোর দেন মীর শাহে আলম।
আলোচনা
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. জামানুর রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের বিভিন্ন
স্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।