ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬ দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৯৮২ জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪

দুই লাখ মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের সেতু

গড়াই নদীতে ‘আবরার ফাহাদ সেতু’ গঠনে তোড়জোর


  • আপলোড সময় : রবিবার ১১ অক্টোবর, ২০২৬ সময় : ৩:২২ পিএম

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কয়া ইউনিয়নের ঘোড়াঘাট-বড়বাজার সংযোগ সড়কে গড়াই নদীর ওপর ‘শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু’ নির্মাণের দাবিতে উত্থাপিত আবেদনে দ্রুত ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। একই সঙ্গে এই মেগা উন্নয়ন প্রকল্পের বিষয়ে নেওয়া সার্বিক পদক্ষেপের অগ্রগতি প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।


গত ১০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রটোকল অফিসার-১ ও সংসদ সদস্যগণের প্রতিশ্রুত ও প্রত্যাশিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন সমন্বয় সেলের সদস্য সচিব মো. উজ্জল হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই যুগান্তকারী নির্দেশনা প্রদান করা হয়। উক্ত নির্দেশনামূলক চিঠিটি ইতিমধ্যেই স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।


প্রেরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) আবরার ফাহাদের বাবা মো. বরকত উল্লাহ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ১ নম্বর কয়া ইউনিয়নের ঘোড়াঘাট-বড়বাজার সংযোগ সড়কে গড়াই নদীর ওপর ‘শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু’ নির্মাণের জোর দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি লিখিত আবেদন করেন। ওই আবেদনের পর সার্বিক দিক বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করার জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।


আবেদনের তথ্যসূত্রে জানা যায়, কয়া, শিলাইদহ, চর সাদীপুর, নন্দলালপুর ও হরিপুর ইউনিয়নের একাংশের প্রায় দুই লাখ মানুষ প্রতিনিয়ত এই রুটের ওপর নির্ভরশীল। প্রতিদিন প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার সাধারণ মানুষ জীবিকা, শিক্ষা, জরুরি চিকিৎসা ও নিত্যপ্রয়োজনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রলার বা নৌকায় করে গড়াই নদী পার হয়ে কুষ্টিয়া জেলা শহরে যাতায়াত করে থাকেন। বিশেষ করে কোমলমতি শিশু, নারী, প্রবীণ ব্যক্তি এবং প্রসূতি মায়েদের ক্ষেত্রে এই নদী পারাপার চরম দুর্ভোগ ও ঝুঁকি সৃষ্টি করে। এখানে একটি সুনির্দিষ্ট সেতু নির্মিত হলে অঞ্চলের সার্বিক জীবনযাত্রার রূপান্তর ঘটবে।


উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মার্চে প্রথম এলাকাবাসীর পক্ষে আবেদন জানানোর পর এলজিইডি’র প্রধান প্রকৌশলী, প্রকল্প পরিচালক এবং বুয়েটের বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলীদের একটি উচ্চপর্যায়ের দল সরেজমিনে স্থানটি পরিদর্শন ও পরিবেশগত জরিপ সম্পন্ন করেন। এই সেতুটি বাস্তবায়িত হলে কেবল স্থানীয় যোগাযোগ সহজ হবে না, বরং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিলাইদহের কুঠিবাড়ী এবং মরমী সাধক ফকির লালন সাঁইয়ের আখড়াবাড়ীর মধ্যেও এক ঐতিহাসিক ও পর্যটনবান্ধব সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন সৃষ্টি হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর