ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা, আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয় মামলা ফ্যাসিস্টরা স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান সফরে নতুন ৪টি সমঝোতা স্মারক সই পাশাপাশি চার কবরে চিরনিদ্রায় একই পরিবারের চার সদস্য স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬

পচা মরিচ ব্যবহারের দায়ে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা


  • আপলোড সময় : বুধবার ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ সময় : ৫:১৯ পিএম

চুয়াডাঙ্গ প্রতিনিধি  

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার ফরিদপুর বাজারে খাদ্যপণ্য উৎপাদনে অনিয়ম, পচা মরিচ ব্যবহার ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে মরিচ শুকানোর দায়ে আলিফ ফুড প্রোডাক্টসকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটিকে দ্রুত সব লাইসেন্স নবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় বিভিন্ন খাদ্যপণ্য ও ওষুধের মান এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম তদারকি করা হয়।


অভিযানকালে মো. লিটন মিয়ার মালিকানাধীন আলিফ ফুড প্রোডাক্টসে বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানটির সব লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ ছিল। পাশাপাশি খাদ্যপণ্য তৈরিতে পচা মরিচ ব্যবহার এবং অপরিচ্ছন্ন স্থানে মরিচ শুকানোর বিষয়টি নজরে আসে অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের।


এসব অনিয়মের কারণে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে প্রশাসনিকভাবে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়। একই সঙ্গে আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা এবং দ্রুত লাইসেন্স নবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়।


অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান।


অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. রিয়াজ মাহমুদ, কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর প্রতিনিধি মো. রফিকুল ইসলাম এবং জেলা পুলিশের একটি দল।


খাদ্যপণ্যের মান নিশ্চিত করা, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা এবং ব্যবসায়িক অনিয়ম প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


এ সম্পর্কিত আরো খবর