ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

৩ বছর পর হত্যা মামলার রায়

কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় ১২ জনের যাবজ্জীবন


  • আপলোড সময় : বুধবার ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ সময় : ৫:৪৯ পিএম

কুষ্টিয়া  প্রতিনিধি  

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জমিজমা ও সামাজিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সাহেব আলী হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। ঘটনার ১৩ বছর পর দেওয়া এ রায়ে ১২ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই মামলায় অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় সাতজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া দুই আসামিকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে কুষ্টিয়ার দ্বিতীয় জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নাদিরা সুলতানা আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন কুমারখালী উপজেলার চাপড়া গ্রামের মোজাম্মেল হোসেন, আইন উদ্দিন, আকতার হোসেন, সাবু, সোহাগ, শরিফুল ইসলাম, বিপুল, বদর উদ্দিন, আফসার শেখ, সুমিন, সেলিম ও আবু। দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন জুলু ও রাহুল।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে পূর্ববিরোধের জেরে সাহেব আলীকে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর তাঁর মরদেহ কুমারখালী উপজেলার চর-চাপড়া এলাকার একটি কলাবাগানের পাশে ফেলে রেখে যায় আসামিরা।

এ ঘটনায় নিহত সাহেব আলীর ছোট ভাই আহম্মদ আলী (আকম আলী) বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কুমারখালী থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক কাজী কামাল হোসেন ২১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

এরপর দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া, সাক্ষ্যগ্রহণ ও অন্যান্য কার্যক্রম শেষে আদালত মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় সাতজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে জুলু ও রাহুলকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

রায়ের বিষয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনির হোসেন। তিনি জানান, দীর্ঘ সময় পর হলেও এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

সাহেব আলী হত্যা মামলায় ঘটনার ১৩ বছর পর আদালতের এ রায় কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে আলোচিত হত্যাকাণ্ডটির বিচারিক প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিণতি নিয়ে এসেছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর