ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

ফুলবাড়িয়ায় বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে শিক্ষক দম্পতির তুমুল ধস্তাধস্তি, তদন্ত শুরু


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ সময় : ১০:৫৭ এএম

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙামাটিয়া ইউনিয়নের আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে দুই শিক্ষকের ধস্তাধস্তি ও মারামারির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ থেকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে প্রকাশ্যে মারামারিতে জড়ানো ওই দুই শিক্ষক হলেন—বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন ও সহকারী শিক্ষক আসমা বেগম। সম্পর্কে তারা স্বামী-স্ত্রী। দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের জেরে এই অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

 

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের কক্ষের ভেতরে ওই শিক্ষক দম্পতি তুমুল ধস্তাধস্তিতে লিপ্ত রয়েছেন। এ সময় তাদের থামানোর চেষ্টা করেও একজন ব্যর্থ হন এবং অন্য একজনকে পুরো ঘটনাটির ভিডিও ধারণ করতে দেখা যায়।

 

মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর মারামারির এই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা শিক্ষা বিভাগের উচ্চ মহলের নজরে আসে। এরপর বুধবার সকালে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ঘটনাটি তদন্ত করে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। একই দিন বিকেলের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

 

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম জানান, বিদ্যালয়ের পবিত্র পরিবেশে শিক্ষকদের এমন আচরণ চরম অসদাচরণের শামিল। পারিবারিক বিরোধ কোনোভাবেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়ে আসা উচিত নয়। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ও লিখিত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০০৪ সালে আফজাল হোসেন ও আসমা বেগমের বিয়ে হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০১১ সালের দিকে দুজনই একই বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। তাদের সংসারে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে, যিনি উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে দীর্ঘ প্রায় ১৪ বছর ধরে এই শিক্ষক দম্পতি আলাদা বসবাস করে আসছেন এবং এ বিষয়ে আদালতে পারিবারিক বিরোধ সংক্রান্ত মামলাও চলমান রয়েছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর