জাতীয়
পতাকার মান ও মর্যাদা অক্ষুণ্ণ
রাখা দেশের প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সকালে সাভার সেনানিবাসে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ ন্যাশনাল
স্ট্যান্ডার্ড অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ কথা
বলেন।
অনুষ্ঠানে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় স্বার্থ, দেশের অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্ব এবং আত্মমর্যাদাই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গীকার।
একই সঙ্গে পারস্পরিক সার্বভৌম শ্রদ্ধা ও সমতার নীতির
ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের সব বন্ধুভাবাপন্ন দেশের
সঙ্গে সুদৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
একজন
সেনা পরিবারের সন্তান হিসেবে নিজের বেড়ে ওঠার পরিবেশের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সর্বোচ্চ
প্রতীক হিসেবেই আজ সশস্ত্র বাহিনীর
হাতে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে—যাতে সবাই সর্বোচ্চ নিষ্ঠা, সততা ও একাগ্রতার সঙ্গে
তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারেন। বিভিন্ন সময়ে এই দেশপ্রেমিক বাহিনীর
সুনাম, গৌরব ও পেশাদার ভাবমূর্তি
ক্ষুণ্ন করার জন্য নানা ধরনের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বাংলাদেশের
জন্ম-ইতিহাসের সঙ্গে সেনাবাহিনীর সাহসী ভূমিকা ওতপ্রোতভাবে জড়িত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের সেই উত্তাল মুহূর্তে ঐতিহাসিক ‘উই রিভোল্ট’ উচ্চারণের
মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের দামাল সৈনিকদের ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। তিনি ২৬ মার্চ স্বাধীনতার
প্রথম ঘোষণা দেন এবং পরবর্তীতে ২৭ মার্চ কালুরঘাট
বেতার কেন্দ্র থেকে পুনরায় আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় সাধারণ মানুষ সবসময়ই সশস্ত্র বাহিনীর যেকোনো অর্জন ও গৌরবকে সমগ্র
বাংলাদেশের সাফল্য হিসেবে গণ্য করে থাকে।
অনুষ্ঠানের
শেষ পর্যায়ে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দীর্ঘদিনের লালিত দাবি ও প্রত্যাশা পূরণের
ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, অত্যন্ত জনকল্যাণমুখী ও সময়োপযোগী 'ওয়ান
র্যাংক, ওয়ান পেনশন' নীতি বাস্তবায়নের কাজ বর্তমানে একেবারে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।