ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬,  ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তদন্তের আশঙ্কায় ডেমোক্র্যাটদের প্রতি ইলন মাস্কের হুঁশিয়ারি হরমুজে কুয়েতি তেল ট্যাংকারে হামলা, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ক্রুরা ফ্রান্সের অস্থিরতা নিয়ে ট্রাম্পের সমালোচনায় ক্ষুব্ধ ম্যাক্রোঁ গোপনীয়তা লঙ্ঘনের দায়ে মেটাকে ২৫ বিলিয়ন ডলার জরিমানা উপসাগরে মার্কিন কর্মী প্রত্যাহারের খবর ভিত্তিহীন: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বায়ুদূষণে বিশ্বে পঞ্চম ঢাকা, স্কোর রেকর্ড ১৭৩ ইশরাকের পদত্যাগ: কী বার্তা দিচ্ছে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন? বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ঘাটতিতে বিপাকে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প নরসিংদীতে প্রিন্টিং কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৬ ৭ দিন পর কারামুক্ত ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতা

৭ দিন পর কারামুক্ত ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতা


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর, ২০২৬ সময় : ৯:২৫ এএম

দিল্লির ঐতিহাসিক যন্তরমন্তরে ভবিষ্যতে আর কোনো ধরনের আন্দোলন বা রাজনৈতিক কর্মসূচি না করার মুচলেকা ও প্রতিশ্রুতিতে অবশেষে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির দুই সহ-প্রতিষ্ঠাতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। একটানা সাত দিন কারাভোগের পর বুধবার (২১ অক্টোবর) দিল্লির একটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে এই প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর তারা কারাগার থেকে ছাড়া পান। তাঁদের এই মুক্তিকে কেন্দ্র করে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।

 

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত ১০ অক্টোবর, যখন ককরোচ পার্টি প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানের কুমারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে দিল্লির যন্তরমন্তরে সমবেত হওয়ার জন্য সাধারণ কর্মী ও জনগণের প্রতি প্রকাশ্যে ডাক দিয়েছিল। তবে নির্ধারিত দিনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে কাউকেই সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে জড়ো হতে দেওয়া হয়নি। উল্টো দলটির প্রধান অভিজিৎ দীপসহ সৌরভ ও আশুতোষকে দিল্লির বিমানবন্দর এলাকা থেকে আটক করা হয়। যদিও সে যাত্রায় পরের দিন তারা সাময়িকভাবে মুক্তি পেয়েছিলেন।

 

এরপর গত ১৩ অক্টোবর অভিজিৎ নিজের দাদির মৃত্যুসংবাদের কারণে পারিবারিক পাশে থাকার জন্য বাড়ি চলে যান, কিন্তু সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা দমে না গিয়ে সরাসরি যন্তরমন্তরে গিয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলনের কর্মসূচি পালন করেন। এই অবস্থানের পরেই পুলিশ তাদের পুনরায় গ্রেপ্তার করে কঠোর পুলিশি রিমান্ডে নিয়ে যায়। এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে গত ১৫ অক্টোবর দিল্লির প্রাণকেন্দ্র সেন্ট্রাল পার্কে ‘পতাকা উড়াও’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন ককরোচের প্রধান অভিজিৎ। কিন্তু সেদিনও তাকে কর্মসূচি পালন করতে না দিয়ে পুলিশ আটক করে এবং পরের দিন ছেড়ে দিলেও সৌরভ ও আশুতোষকে কারাগারেই আটকে রাখা হয়।

অবশেষে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও টানাপোড়েনের পর বুধবার তারা জেল থেকে মুক্তি লাভ করেন। এর আগে তাদের জামিন ও মুক্তির শুনানির জন্য দিল্লির হাইকোর্টে হাজির করা হলে আদালত তাদের কাছে কড়া প্রশ্ন রাখেন। আদালত জানতে চান যে, যন্তরমন্তরে আন্দোলন নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও কেন তারা সেখানে গিয়ে পতাকা উড়িয়েছিলেন এবং সেখানে যদি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটত, তবে তার দায়ভার কে নিত? আদালতের এই কঠোর অবস্থানের মুখে পড়ে অভিযুক্ত দুই নেতা ভবিষ্যতে যন্তরমন্তরে আর কখনোই কোনো ধরনের আন্দোলনের ডাক দেবেন না বলে লিখিত ও মৌখিক প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। সূত্র: এনডিটিভি


এ সম্পর্কিত আরো খবর