উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের সাফল্যের মানচিত্র। দেশজুড়ে গড়ে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ হলেও বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে বড় ধরনের ব্যবধান পরিলক্ষিত হয়েছে। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে ৬১.৮০ শতাংশ পাসের হার নিয়ে সাফল্যের শীর্ষে অবস্থান করছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, অন্যদিকে মাত্র ৪৪.৮৪ শতাংশ পাস নিয়ে সবচেয়ে পিছিয়ে পড়েছে বরিশাল বোর্ড। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শিক্ষা
বোর্ডগুলো থেকে প্রাপ্ত ফলাফলের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৬১.৮৩ শতাংশ,
চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫২.০৭ শতাংশ,
ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫১.৪৪ শতাংশ
এবং সিলেট বোর্ডে ৫০.৯০ শতাংশ।
অন্যদিকে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে পড়া বোর্ডগুলোর মধ্যে কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৪৮.০৪ শতাংশ,
দিনাজপুর বোর্ডে ৪৫.৯৮ শতাংশ,
রাজশাহী বোর্ডে ৪৫.০৬ শতাংশ,
যশোর বোর্ডে ৪৪.৯২ শতাংশ
এবং বরিশাল বোর্ডে ৪৪.৮৪ শতাংশ
রেকর্ড করা হয়েছে।
বিশেষায়িত
শিক্ষা বোর্ডগুলোর ফলাফলে দেখা গেছে, বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬১.০৭ শতাংশে
এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার অর্জিত হয়েছে ৪৯.৪৩ শতাংশ।
আন্তর্জাতিক বা বিশেষ কোনো
বিদেশি মাধ্যম ছাড়া দেশীয় ফলাফলের এই তথ্যসমূহ শিক্ষা
বোর্ডগুলোর মূল তথ্য ভাণ্ডার থেকে সরাসরি সমন্বয় করা হয়েছে।
আন্তঃশিক্ষা
বোর্ড সমন্বয় কমিটির নির্দেশনানুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা পত্রিকা অফিসে কোনো সরাসরি ফলাফল পাওয়া যাবে না। সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পরীক্ষার্থী
ওয়েবসাইটের
(eduboardresults.gov.bd এবং
educationboardresults.gov.bd) ‘রেজাল্ট’
কর্নারে গিয়ে প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন (EIIN) বা ব্যক্তিনাত রোল
নম্বর দিয়ে ফল ডাউনলোড করতে
পারবেন। এছাড়া যেকোনো মোবাইল থেকে ১৬১৪০ নম্বরে নির্ধারিত ফরম্যাটে এসএমএস পাঠিয়েও ফল জানা যাচ্ছে।
প্রকাশিত ফলে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীরা নিজেদের উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আগামী ১ নভেম্বর থেকে
৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন জমা দিতে পারবেন।